বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥
ঢাকা: নেদারল্যান্ডস-এ দশ ধরনের টমেটোর পরীক্ষামূলক চাষ হচ্ছে। এটা বিশেষ কোনো খবর নয়। তবে এর বিস্ময়কর দিকটি হলো, হাওয়াই দ্বীপের আগ্নেয়গিরি থেকে বিশেষ মাটি এনে সেই মাটিতে টমেটো ফলানো হয়েছে। এই মাটির সঙ্গে মঙ্গল গ্রহের মাটির অনেক মিল রয়েছে। কাজেই মঙ্গলের মাটিতেও হয়তো এমনই টমেটো ফলানো সম্ভব।
নতুন এই গবেষণায় বিজ্ঞানীদের দল ডাল, মূলা, পালং শাক, পেঁয়াজ জাতীয় গাছ ইত্যাদিও চাষ করছেন। এই মাটিতে খুব বেশি ফলন হচ্ছে না। অর্থাৎ, ধরা যায় মঙ্গলের মাটি পৃথিবীর মাটির মতো উর্বর নয়। তবে যারা মঙ্গে যাচ্ছেন তারা অন্তন খাওয়ার ব্যবস্থা করতে পারবেন।
গধৎঃরধহ-ংড়রষ
প্রধান গবেষক উইগার ওয়ামলিঙ্ক জানান, মঙ্গলের মাটিকে সঠিকভাবে পরিচর্যা করলে ও পানি দিলে তা থেকে ভালো ফসল পাওয়া সম্ভব। আগ্নেয়গিরির মাটিতে টাটকা ঘাস মেশানো হয়। এগুলো অগভীর ট্রে-তে নেওয়া হয়। অন্য একটি ট্রে-তে পৃথিবীর কম্পোস্ট রাখা হয়। তবে মঙ্গলে যাওয়ার আগে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে।
মাটি মঙ্গলের মতো হলেও পরিবেশের অন্যান্য বিষয় মঙ্গলের মতো পাওয়া যায়নি। যেমন সেখানকার চরম তাপমাত্রা বা মহাকাশের রেডিয়েশন। বরং এরা পৃথিবীর সুষম পরিবেশ পেয়েছে।
উইগার জানান, এর কারণ হলো, মঙ্গলে প্রথম যে শস্য চাষ করা হবে তা মাটির নিচের নিয়ন্ত্রিত কক্ষেই সম্পন্ন করা হবে। এ মাটিতে জন্মানো খাবারগুলো খেতেও মন্দ নয়। এই মাটিতে আর্সেনিকসহ বেশ কয়েকটি ভারী ধাতু রয়েছে। যদি এসব উপাদান মঙ্গলের মাটিতেও থাকে, তবে উৎপাদিত খাবার কিছুটা বিষাক্ত হয়ে উঠবে।
তবে আরো ভালো মানের শস্য উৎপাদনের জন্যে নানা গবেষণা চলছে। সূত্র : স্কাই
