Skip to content

অধরা শিরোপা ছুঁয়ে দেখতে চায় অস্ট্রেলিয়া!

স্পোর্টস ডেস্ক ॥

ঢাকা: তারা পাঁচ পাঁচবার বিশ্বকাপ ট্রফি ঘরে তুলেছে। কিন্তু টি-২০ বিশ্বকাপ ট্রফিটা অধরাই থেকে গেছে। কি এক রহস্যে সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের বিশ্ব আসর এখনো জেতা হয়নি অসিদের। তাই বলে কী এই ট্রফি তাদের জন্য চির আক্ষেপ হয়ে থাকবে? না, স্টিভ স্মিথরা এবার ভারতের মাটিতে পা রেখেছে ষষ্ঠ আসরের শিরোপা জিততেই।

আইপিএল খেলে অনেক অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার টি-২০এর হাত পাকা করে ফেলেছেন। যেটা কাজে দেবে টি-২০ বিশ্বকাপে। আর স্টিভেন স্মিথের নেতৃত্বে গত কিছুদিন হলো অন্য অস্ট্রেলিয়াকেই দেখা যাচ্ছে। যদিও কিছুদিন আগে তাদের ঘরের মাঠে ভারতের কাছে টি-২০ সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হতে হয়েছে। তবে আশার কথা, ভারতে আসার আগে তারা দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছে।

এই জয় নিশ্চয় স্মিথদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেবে। শনিবার কলকাতায় অসি অধিনায়কও আকারে ইঙ্গিতে সেটাই বোঝানোর চেষ্টা করেছেন, ‘ঐতিহ্যগতভাবেই আমরা এই ফরম্যাটে ভালো করতে পারি না। তবে আমরা এখানে এসেছি চেষ্টা করতে এবং জিততে।’

অস্ট্রেলিয়া যে দু’জনের ওপর ভর করে বড় স্বপ্ন দেখছেন তারা হলেন ডেভিড ওয়ার্নার এবং গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। এই দু’জন বোলারদের আছড়ে গ্যালারিতে ফেলতেই বেশি পছন্দ করেন। আর এই কাজটি তারা বহুবার করে দেখিয়েছেন ভারতের মাটিতেই, আইপিএলে। ওটাই এবার ট্রফি জয়ের স্বপ্নকে বড় করে দেখাচ্ছে হলুদ জার্সিধারীদের। সেটা মানছেনও স্মিথ, ‘আমি মনে করি আইপিএল সারা বিশ্বের ক্রিকেটারদের উন্নতিতে বড় ভুমিকা রেখেছে। আইপিএলের অভিজ্ঞতা এই টুর্নামেন্টে আমাদের ভালো করতে সাহায্য করবে। সত্যি বলতে, দারুণ খেলা উপহার দিতে আমাদের আর তর সইছে না।’

প্রসঙ্গত, ১৯৮৭ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপ অস্ট্রেলিয়া কিন্তু জিতেছিল ভারতের মাটিতেই। কে জানে নতুন ঘরানার টি-২০ ক্রিকেটের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অভ্যাসটা অস্ট্রেলিয়া এখান থেকেই শুরু করবে! সেবার ফাইনাল হয়েছিল ইডেন গার্ডেনে। এবারও ফাইনালের ভেন্যু সেই ইডেনই। এবার মিলিয়ে নিন!

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫