বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়অজেদ বলেছেন, অটিজম নিয়ে আমরা জাতীয়ভাবে যে কাজ করছি তা আঞ্চলিকভাবে দক্ষিণ এশিয়ায় এবং আন্তর্জাতিক পরিসরেও সচেতনতা সৃষ্টি করছে।
তিনি আরো বলেচেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে উন্নয়ন প্রতিবন্ধিতা মোকাবিলায় ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। তবে সামনে আরো অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে।
শুক্রবার নিউ ইয়র্কের স্থানীয় সময় বিকেলে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে ‘অটিজম মোকাবিলা এসডিজির আলোকে বিশ্ব সম্প্রদায়ের কৌশল’ শীর্ষক সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে এসব কথা বলেন সায়মা ওয়াজেদ।
বাংলাদেশের অটিজমবিষয়ক জাতীয় পরামর্শক কমিটির চেয়ারপারসন সায়মা ওয়াজেদ বলেন, “অটিজমসহ অন্যান্য উন্নয়ন প্রতিবন্ধিতা মোকাবিলায় বিশ্বব্যাপী ধীরে ধীরে সচেতনতা গড়ে উঠছে। জাতীয়, আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিকভাবে এ ক্ষেত্রে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।
সায়মা বলেন, “এ ধরনের সভা-সেমিনারের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ তত্ত্বাবধানে অটিজম নিয়ে নানা পদক্ষেপ বাস্তবায়ন হচ্ছে। এর মধ্যে প্রতিটি বিদ্যালয়ে অন্তত দুজন করে অটিস্টিক বা প্রতিবন্ধী শিশুকে পড়তে দেওয়ার সুযোগ রাখা বাধ্যতামূলক করার বিষয়টি উল্লেখযোগ্য।”
তিনি বলেন, “আমাদের দেশের বর্তমান সরকারের প্রত্যেকটি উন্নয়নসংশ্লিষ্ট বিভাগ অটিজম বা প্রতিবন্ধিতার ব্যাপারগুলো দেখাশোনা করছে। তারা তাদের কাজ করছে কিনা সে যোগাযোগও রাখা হচ্ছে।”
অটিজমসহ অন্য উন্নয়ন প্রতিবন্ধিতা মোকাবিলায় সরকারের এ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় (২০১৬-২০২১) আরো বেশ কিছু উদ্যোগ থাকছে বলেও উল্লেখ করেন সায়মা।
বাংলাদেশ, কাতার, দক্ষিণ কোরিয়া, ভারত এবং অটিজম স্পিকস-এর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বক্তব্য দেন জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি-মুনের পতœী বান সুন তায়েক, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রেসিডেন্টের পক্ষে কাজাখস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি খায়রাত আবদরা খমানব, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন, ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি সৈয়দ আকবর উদ্দিন, কাতারের স্থায়ী প্রতিনিধি আলিয়া বিনতে আহমেদ আল থানি, দক্ষিণ কোরিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি ওহ জুন, অটিজম স্পিকস-এর কো-ফাউন্ডার সুজানে রাইট প্রমুখ।
