স্টাফ রিপোর্টার ॥
ঢাকা: রাজধানীর কদমতলীতে স্কুলছাত্র মো. স্বাধীনকে গলা কেটে হত্যার পর ৯ দিনে অতিবাহিত হলেও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
পুলিশ জানায়, সাগর চকোলেট তৈরির একটি কারখানায় কাজ করতো। তাকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই সব গুমর জানা যাবে।
গত ২৮ মার্চ কদমতলীর দক্ষিণ দনিয়ার ৬৯৮/২ নম্বর ভাড়া বাসা থেকে স্বাধীনের গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ব্যবসায় শিক্ষা শাখার ছাত্র স্বাধীন এবার মুরাদপুর সমীরণ নেসা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল।
বাবা সোহেল রানা ও মা রিনা বেগমের সঙ্গে ওই ভাড়া বাসায় থাকত স্বাধীন। খুনের সময় বাবা-মা কেউই বাসায় ছিলেন না। ঘটনার পর মা রিনা বেগম বাদী হয়ে কদমতলী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনায় স্বাধীনের বন্ধুরা জড়িত বলে সন্দেহ করেছেন মা রিনা বেগম। মামলার এজাহারে তিনি এমনটিই জানিয়েছেন। মামলাটি তদন্ত করছেন উপ পরিদর্শক (এসআই) তৌহিদুল আরেফিন।
তৌহিদুল আরেফিন আরও বলেন, বেশ কিছু আলামত জব্দ করেছি। তা যাচাইয়ের পর সম্ভাব্য খুনি হিসেবে সাগরকে শনাক্ত করা হয়েছে। সাগরকে গ্রেফতার করা সম্ভব হলেই খুনের সব রহস্যের জট খুলবে। তাকে গ্রেফতারে অভিযানও চলছে।
কদমতলী থানা সূত্র জানায়, ঘটনাস্থল থেকে রক্তমাখা স্যান্ডেল ও পরে একটি ফুলপ্যান্ট উদ্ধার করা হয়। তদন্তের পর স্যান্ডেল আর প্যান্ট একজনেরই বলে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ। আর সে প্যান্ট ও স্যান্ডেল নিহত স্বাধীনের বন্ধু সাগরের। তবে ঘটনার পর থেকে গা ঢাকা দিয়েছে সাগর। সাগরকে খুঁজছে পুলিশ।
