Skip to content

সুদানে দুর্ভিক্ষের বিপর্যয় ঠেকাতে অর্থ সাহায্য চেয়েছে জাতিসংঘ

বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥
সোমবার দক্ষিণ সুদানের কিছু অংশে দুর্ভিক্ষের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। ছয় বছরের মধ্যে এই প্রথম বিশ্বের কোনো অংশে দুর্ভিক্ষের ঘোষণা এলো। আর এভাবে ঘোষণা না দেয়া হলেও বহুদিন ধরেই অনাহারের কষ্টে আছে নাইজেরিয়া, সোমালিয়া এবং ইয়েমেনের বহু মানুষ।

জাতিসংঘের হিসেবে যে সংখ্যা প্রায় দুই কোটি। এ নিয়ে জাতিসংঘের মহাসচিবের কণ্ঠে প্রকাশ পেয়েছে এক ভয়াবহ বিপর্যয়ের আশংকা।

আন্তোনিও গুতেরেস বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে জরুরি অর্থ সহায়তার আহবান জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন ‘আমরা সবচেয়ে বড় যে বাধার সামনে আছি তা হলো তহবিল। এই চারটি দেশে এখন মানবিক সাহায্য দিতে গেলে এ বছরে প্রয়োজন ৫শ’ ষাট কোটি ডলারের চেয়েও বেশি। এই বিপর্যয় ঠেকাতে আগামী মার্চের মধ্যেই দরকার অন্তত ৪শ’ চল্লিশ কোটি ডলার। অনেকের অঙ্গীকার সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত মাত্র ৯০ মিলিয়ন সংগ্রহ হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। যা দরকারের মাত্র দুই শতাংশ’।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী নাইজেরিয়ার কিছু প্রত্যন্ত অঞ্চল গত বছর থেকেই দুর্ভিক্ষে আক্রান্ত রয়েছে। আর সোমালিয়ায় যা চলছে ২০০০ সাল থেকে।

জাতিসংঘের খাদ্য তহবিলের হিসেবে ২০১১ সালে সোমালিয়ায় না খেতে পেয়ে মারা গেছে আড়াই লাখেরও বেশি মানুষ যাদের অর্ধেকই শিশু।

ইউনিসেফের মতে এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে আগামী মাসের মধ্যে এই চারটি দেশে অন্তত ১৪ লাখ শিশুর মৃত্যু হবে খাবারের অভাবে।

কেবলমাত্র সোমালিয়ার দুর্ভিক্ষের কারণ খরা। বাকি দেশগুলোতে সংঘাত আর মানব সৃষ্ট কারণে ঘটছে এমন বিপর্যয়।

নাইজেরিয়ার উত্তর অঞ্চলে জঙ্গি গোষ্ঠী বোকো হারামের সাথে চলা সংঘাতে খাদ্য সংকটে অন্তত ৫০ লাখ অধিবাসী আর ৫ লাখ শিশু ভুগছে চরম অপুষ্টিতে রয়েছে।

ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটির প্রধানের মতে অনেক আগে থেকেই তারা বিশেষ করে দক্ষিণ সুদানের বিপর্যয়ের কথা বলে আসছিলেন, কিন্তু আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এতে কোনো সাড়া দেয়নি।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫