স্টাফ রিপোর্টার ॥
ফিটনেসবিহীন ও পুরনো গণপরিবহন বন্ধে অভিযানে নামছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি), বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি, জেলা প্রশাসন ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।
রোববার সকাল ১০টার দিকে নগর ভবন থেকে সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন অভিযান সম্পর্কে অবহিত করবেন।
সাঈদ খোকন বলেন, ‘পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন’।
যানজটমুক্ত ও মানসম্মত গণপরিবহন ব্যবস্থা চালু করতে এ অভিযান শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে যানজটের কারণ হিসেবে ১৪টি কারণও চিহ্নিত করা হয়েছে।
আইন অনুযায়ী পুরনো বাসের বিরুদ্ধে রোববার সকাল থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান শুরু হবে বলে জানান ডিএসসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দেবাশীষ নাগ। এ ব্যাপারে ডিএসসিসি’র সব প্রস্তুতি রয়েছে।
জানা যায়, ঢাকার ১৯৩টি রুটে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার বাস-মিনিবাস চলাচল করে। এর মধ্যে অসংখ্য বাস চলাচলের অনুপযোগী। সে বাসগুলো আর রাজধানীতে চলতে পারবে না।
বিআরটিএ সূত্র জানায়, কয়েক মাস ধরে বি আরটিএ এসব পুরনো বাসের ফিটনেস সার্টিফিকেট দেওয়া বন্ধ রেখেছে। এখন কম্পিউটারাইজড পদ্ধতিতে ফিটনেস টেস্ট করা হয়। সে কারণে পুরনো বাসগুলোকে আর ফিটনেস দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ডিএসসিসিতে ঢাকা মহানগর পুলিশ, বিআরটিএ ও ঢাকা জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভা থেকে মেয়র সাঈদ খোকন ঘোষণা দেন, ২০ বছরের অধিক সময় ধরে ব্যবহৃত বাস রাজধানীতে আর চলতে দেওয়া হবে না। পরে ডিএসসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দেবাশীষ নাগকে প্রধান করে এ-সংক্রান্ত একটি ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা হয়। এর সদস্য রাখা হয় তিন সংস্থার তিন কর্মকর্তাকে। আর প্রধান সমন্বয়ক করা হয়েছে ডিএসসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা কামরুল ইসলামকে। আর এর ধারবাহিকতায় আজকের এ অভিযান।
এদিকে ১৫ য়ারি মেয়রের ঘোষণার পর বিষয়টি সম্পর্কে বাসমালিক-শ্রমিকরাও জেনেছেন। গাজীপুর থেকে সায়েদাবাদ সড়কে চলা তুরাগ পরিবহনের চালক সোহেল হোসেন বলেন, ‘সিটি করপোরেশন অভিযান পরিচালনা করবে শুনেছি। দেখা যাক কী হয়।
