বাংলাভূমি ডেস্ক ॥
সম্প্রতি রপ্তানি হওয়া একাধিক সবজির চালানে পোকামাকড় পাওয়া যায়। এর ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা এড়াতে চুক্তিভিত্তিক ও স্বাস্থ্যসম্মত চাষাবাদের সনদ ছাড়া ইউরোপে সবজি ও ফলমূল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়।
এতে ইউরোপে সবজি রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, দেশের সুনাম রক্ষা ও আগামীতে রপ্তানি বাড়াতে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। তবে রপ্তানির বাজার ধরে রাখতে, যেসব সবজিতে পোকামাকড় পাওয়ার অভিযোগ আসেনি সেগুলোর স্বাস্থ্য সনদ দেয়ার আহবান জানিয়েছেন রপ্তানিকারকরা।
ক্ষতিকর পোকামাকড় বেশি থাকায় বেগুন, করলা, পটল, কাকরোল সব শাকসহ আট ধরনের সবজি ও ফলমূল ইউরোপের বাজারে রপ্তানিতে সরকার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে এক বছর আগে। এরপরেও কিছু অসাধু রপ্তানিকারক কৃষি বিভাগের স্বাস্থ্য সনদ সার্টিফিকেট ছাড়াই নিষিদ্ধ সবজিও ইউরোপে রপ্তানি করছিল। এর মধ্যে বেশ কিছু চালানে রোগবালাই ধরা পড়ে। কিছু চালান ফেরত পাঠায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এ প্রেক্ষাপটে গত ৬ এপ্রিল শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ শাখা রপ্তানিকারকদের চিঠি দিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকরের কথা জানায়।
রপ্তানিকারকদের দাবি, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ৮টি সবজি ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা করলেও চুক্তিভিক্তিক চাষাবাদ বাধ্যতামূলক করেনি, কিন্তু সরকার সব সবজি চুক্তিভিত্তিক চাষাবাদ বাধ্যতামূলক করায় রপ্তানি একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে।
বর্তমানে বছরে প্রায় এক হাজার ২’শ কোটি টাকার সবজি রপ্তানি করে বাংলাদেশ। এর মধ্যে ৩০ শতাংশ সবজি ও ফলমূল রপ্তানি হতো ইউরোপে। তথ্যসূত্র : সময় টিভি
