স্টাফ রিপোর্টার ॥
বিশ্ব মা দিবস উপলক্ষে ইউনাইটেড মুভমেন্ট হিউম্যান রাইটস এর উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মানবাধিকার শান্তি পদ পেলেন শ্রীপুরের লিয়াকত আলী ফকির।
গত ১৫ মে বিকাল ৫টায় ঢাকার সেগুনবাগিচায় প্রফেসর আখতার ইমাম অডিটোরিয়ামে উক্ত আলোচনা সভায় ইউনাইটেড মুভমেন্ট হিউম্যান রাইটস এর চেয়ারম্যান অ্যাড. লুৎফুল আহসান বাবুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিচারপতি সিকদার মকবুল হক। উদ্বোধক ছিলেন ভাষা সৈনিক রেজাউল করিম, প্রধান আলোচক ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব পীরজাদা শহীদুল হারুন। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউনাইটেড মুভমেন্ট হিউম্যান রাইটস এর উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ডিআইজি মোঃ আনোয়ার হোসেন, সাংবাদিক ফরিদ খান প্রমুখ।

উক্ত অনুষ্ঠানে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখার জন্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে মানবাধিকার শান্তি পদক-২০১৭ প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে রোটারিয়ান মোঃ লিয়াকত আলী ফকিরকে মানবাধিকার শান্তি পদক প্রদান করা হয়। লিয়াকত আলী ফকিরের বাড়ি গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মুলাইদ গ্রামে। পিতা নাম মোঃ রাজ্জাক ফকির। তিনি মাওনা চৌরাস্তার আরহাম মটরস মিউজিয়ামের স্বত্বাধিকারী।
লিয়াকত আলী ফকির ১৯৯৫ সালে অষ্টম শ্রেণীতে পড়–য়া অবস্থায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগে যোগদান করেন। এইচএসসিতে অধ্যয়নরত অবস্থায় পিয়ার আলী ডিগ্রী কলেজে ছাত্রছাত্রীদের স্বমন্বয়ে ‘ফেন্ডশীপ ওয়েল ফেয়ার অরগানাইজেশন’ নামক একটি অরাজনৈতিক সংগঠনের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে সমাদৃত হয় এবং বিভিন্ন সেবামূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেন।
ভাওয়াল বদরে আলম সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে বিএসএস (সম্মান) ও এমএসএস (রাষ্ট্র বিজ্ঞান) এ অধ্যয়নরত অবস্থায় ছাত্রছাত্রীদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে শক্তিশালী করতে বিভিন্ন লড়াই সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেন। ২০০৩ সালে গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের সদস্য নির্বাচিত হয় এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের জাতীয় সম্মেলনে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে প্রত্যক্ষ ভাবে ভোট প্রদানের মধ্যদিয়ে কেন্ত্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়।
সমাজ সেবামূলক কাজ:
রোটারিয়ান মোঃ লিয়াকত আলী ফকির বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মসজিদ, ঈদগাঁ মাঠ, মাদরাসা নির্মাণ কাজে অংশগ্রহণ করেন। তাছাড়া দুঃস্থ্য অসহায় পথশিশুদের শিক্ষা প্রদানে নিয়োজিত থাকেন। তাদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিয়ে উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল এন্ড কলেজ এবং ধর্মীয় শিক্ষা বিস্তারের জন্য মাদরাসা নির্মাণের কাজে নিজকে নিবেদিত করেন।
তিনি গত জেলা পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে জেলা পরিষদ সদস্য পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন।
