বাংলাভূমি ডেস্ক ॥
এ যেন লুকোচুরি খেলা। এই আছে তো এই নেই। এলেও যেতে সময় লাগে না বেশি। আর একবার গেলে আসতে লাগে অন্তত ২ থেকে ৩ ঘণ্টা। দেশের ৩৮ জেলায় বিদ্যুৎ পরিষি।ততি এখন এমনই। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা থেকে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী সবাই বলছেন, দুই মে’র কালবৈশাখীই কাল হয়েছে বিদ্যুৎ বিতরণে। জাতীয় গ্রিডের সেই ভাঙ্গা টাওয়ার মেরামত করতে লাগতে পারে আরও অন্তত ৪ মাস।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে অসহনীয় পর্যায়ে ঠেকেছে দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি। দিন কিংবা রাত, যদিওবা আসে, যেতে সময় লাগে খুবই কম।
বিদ্যুতের এই আসা যাওয়ায় অসহনীয় পরিস্থিতি গ্রামে-গঞ্জে। সবমিলিয়ে অন্তত অর্ধেকের বেশি জেলায় চলছে এমন ভয়াবহ পরিস্থিতি।
পরিস্থিতি অবনতির কারণে, মিল কারখানার উৎপাদন কিংবা ব্যবসা-বানিজ্যে চলছে স্থবির অবস্থা। এমনকি চিকিৎসা সেবা নিতে এসেও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন জনসাধারণ।
বিদ্যুতের এই আসা-যাওয়ার খেলা নিয়ে যথারীতি সরগরম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমও। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন বিদ্যুৎ উৎপাদনে রেকর্ড করলেও পরিস্থিতি এতোটা অস্বাভাবিক কেন?
বিদ্যুৎ উৎপাদন কিংবা বিতরণ নিয়ে তৃণমূলে যারা কাজ করছেন, তারা দুষলেন জাতীয় গ্রিডের সমস্যাকে।
তবে বিদ্যুৎ বিতরণের এই সমস্যার কারণ হিসেবে সরকার সামনে আনছে, ২ মে’র কালবৈশাখীকে। ওই রাতের ঝড়ে ভেঙ্গে পড়ে জাতীয় গ্রিডের আশুগঞ্জ অংশের একটি টাওয়ার। যা মেরামতে এখন কর্তাব্যক্তিরা তাঁকিয়ে আছেন বিদেশী বিশেষজ্ঞদের দিকে।
এদিকে এপ্রিলের শেষ দিকে মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে, রোযার সময় বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়ার কথা বলা হয়। তবে জাতীয় গ্রিডের সমস্যা সমাধান না হলে তা কিভাবে সম্ভব, আপাতত উত্তর নেই সেই প্রশ্নের।
চ্যানেল টোয়েন্টিফোর
