Skip to content

সেন্টমার্টিনে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট

বাংলাভূমি ডেস্ক ॥
কক্সবাজার-চট্টগ্রাম চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করছে ঘূর্ণিঝড় মোরা। সকাল সাড়ে সাতটার দিকে এটি কক্সবাজার উপকূল অতিক্রম করে চট্টগ্রামের দিকে অগ্রসর হয়েছে।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সেন্টমার্টিন দ্বীপে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। দ্বীপের ১০ শয্যার একটি হাসপাতালে প্রায় ১ হাজার ২০০ মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। সেখানেও খাবার ও বিশুদ্ধ পানির কোনো ব্যবস্থাই নেই। চরম দুর্ভোগে পড়েছে আশ্রয় নেওয়া এসব মানুষ।

সেন্টমার্টিন বাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাফেজ ওয়াসিম সোমবার গভীর রাতে জানিয়েছেন, দ্বীপের একমাত্র সাইক্লোন সেন্টারটি জরাজীর্ণ। তাই ১০ শয্যার হাসপাতালে ১ হাজার ২০০ মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। এ ছাড়া দ্বীপের সেনচুর, অবকাশ, ব্লু মেরিন হোটেল, জেলা পরিষদ ডাকবাংলো ও আবহাওয়া অফিসে ৪-৫ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। তবে সরকারি হাসপাতালটিতে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা না থাকায় আশ্রয় নেওয়া এসব মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সেন্টমার্টিন দ্বীপে জেলা পরিষদ ডাকবাংলোতে প্রায় ৩০০ মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। ভেতরে জায়গা না পেয়ে শিশু সন্তান নিয়ে সিঁড়িতেও আশ্রয় নিয়েছেন।

ঘূর্ণিঝড় মোরা আজ মঙ্গলবার সকাল ছয়টার দিক থেকে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করতে শুরু করেছে। সকাল সাড়ে সাতটার দিকে এটি কক্সবাজার উপকূল অতিক্রম করে চট্টগ্রামের দিকে অগ্রসর হয়েছে।

স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক আলী আকবর (৯০) বলেন, ‘হঠাৎ করে ৭ নম্বর থেকে ১০ নম্বর মহা বিপৎসংকেত দেখা দেওয়ায় দ্বীপের মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। আমার এই বয়সে কোনো সময় আমি এমন পরিমিস্থতির শিকার হইনি। এখন জীবনের মায়ায় নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছি দ্বীপের জেলা পরিষদের ডাকবাংলোতে। পরিবার-পরিজন, এলাকাবাসীসহ প্রায় ৩০০ মানুষ এখানে আশ্রয় নিয়েছি।’

সোমবার দিবাগত রাতে সরেজমিনে দেখা গেছে, আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে আসা মানুষের চোখে-মুখে অসহায়ত্বের ছাপ। শিশু-কিশোরেরা ভয়ে কান্নাকাটি করছে। আশ্রয় নেওয়া অনেকের কাছেই খাবার নেই। বিশুদ্ধ পানিরও যথেষ্ট সংকট রয়েছে।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হাবিবুর রহমান বলেছেন, দ্বীপের চারদিকে কোনো ধরনের বেড়িবাঁধ না থাকায় মানুষ বেশ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। সোমবার সকাল থেকেই টেকনাফের সঙ্গে সেন্টমার্টিনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এই দ্বীপে বসবাসরত লোকজনের জন্য খাবার ও বিশুদ্ধ পানি টেকনাফ থেকে আনতে হয়। হঠাৎ করে সিগন্যাল (বিপদ সংকেত) হওয়ায় তা অনেকে মজুত করতে পারেন নি। তাই এখানে খাদ্যের চরম সংকট দেখা দিয়েছে। প্রথম আলো

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫