আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥
ফ্রান্স আগামী ২০৪০ সালের মধ্যে সেদেশে পেট্রোল ও ডিজেলচালিত সব গাড়ি নিষিদ্ধ করার চিন্তা-ভাবনা করছে। চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধারাবাহিক ব্যবস্থার অংশ হিসাবে এই পদক্ষেপ নেয়া হবে। ফ্রান্সের পরিবেশ মন্ত্রী গত বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা দেন।
পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের পেছনে পরিবহন খাত এখন সবচেয়ে বেশি দায়ী। সেজন্যই আমরা ২০৪০ সালের মধ্যে পেট্রোল ও ডিজেলচালিত সব গাড়ি বিক্রি বন্ধের লক্ষ্য স্থির করেছি, যাতে গাড়ি নির্মাতারা নতুন কিছু উদ্ভাবনে উৎসাহী হয়।
পরিবেশমন্ত্রী নিকোলাস হিউলট বলেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে ফ্রান্সের গাড়ি নির্মাণ শিল্প বড় ধরণের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে বলে তিনি নিজে স্বীকার করলেও দেশের গাড়ি নির্মাতারা এই উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য পূরণের উপায় নিয়ে কাজ করছেন।
ব্রিটেনের দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট পত্রিকার খবরে বলা হয়, পেট্রোল ও ডিজেলচালিত গাড়ি নিষিদ্ধ হলে ফ্রান্সের অপেক্ষাকৃত অস্বচ্ছল ব্যক্তিদেরকে নতুন ইলেক্ট্রিক গাড়ি কেনার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে অর্থের যোগান দেয়া হবে।
এই পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে ফ্রান্স আগামী কয়েক দশকের মধ্যে জীবাস্ম জ্বালানি বর্জনের পরিকল্পনাকারী দেশগুলোর কাতারে যোগ দিলো।
উল্লেখ্য, নেদারল্যান্ডস ও নরওয়ে ২০২৫ সালের মধ্যে জীবাস্ম-জ্বালানিনির্ভর গাড়ি বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। জার্মানি ২০৩০ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ কার্বন নিঃসরণমুক্ত যানবাহন চালু করার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। ভারতও ওই বছর থেকেই কেবল ইলেক্ট্রিক গাড়ি বিক্রির আগ্রহের কথা ঘোষণা করেছে।
সূত্র: দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট/ দ্য ড্রাইভ
