মুহাম্মদ আতিকুর রহমান (আতিক) ॥
গাজীপুর : গাজীপুর জেলা প্রশাসন ও জেলা নির্বাচন অফিসের উদ্যোগে গতকাল ১৮ জুলাই মঙ্গলবার দুপুরে জেলা প্রশাসনের ভাওয়াল সম্মেলন কক্ষে ছবিসহ ভোটার তালিকা হালনাগাদ-২০১৭ উপলক্ষে জেলা সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গাজীপুর জেলা প্রশাসক ডঃ দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীরের সভাপতিত্বে জেলা সমন্বয় কমিটির সদস্যবৃন্দ এতে অংশগ্রহণ করেন।
সভায় বক্তব্য রাখেন, গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন সবুজ, স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক জামিল আহম্দে, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ তারিফুজ্জামান, গাজীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আমিনুল হক বাপ্পী, বাংলাভূমি পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার প্রমুখ।

আগামী ২৫ জুলাই থেকে ৯ আগস্ট পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে। তথ্য সংগ্রহকারীগণ বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার যোগ্য ভোটারদের তথ্য সংগ্রহ এবং মৃত ব্যক্তিদের নাম কর্তনের তথ্য সংগ্রহ করবেন। ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভূক্তি, কর্তন ও স্থানান্তরের জন্য নির্ধারিত ফরম পূরণসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি সংগ্রহ করবেন।
২০ আগস্ট হতে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত ২০০০ সালের ১ জানুয়ারি বা তার পূর্বে অথচ বিগত ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে বাদ পড়াদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
২৫ নভেম্বর হতে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত উপজেলা ও থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন গ্রহণ, মৃত ভোটারদের নাম কর্তনের তথ্যাদি সংক্রান্ত (বিভিআরএস) বাংলাদেশ ভোটার রেজিস্ট্রেশন সফটওয়্যারের সাহায্যে ডাটা এন্ট্রি ও ডাটা আপলোড করা হবে।
২ জানুয়ারি, ২০১৮ হালনাগাদকৃত খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। ২০১৮ সালের ১৭ জানুয়ারি তারিখের মধ্যে দাবি, আপত্তি ও সংশোধনের জন্য আবেদন দাখিল করতে হবে এবং নিষ্পত্তির শেষ তারিখ ২২ জানুয়ারি, ২০১৮। হালনাগাদ চুড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে ২০১৮ সারের ৩১ জানুয়ারি।
ভোটার ফরম পূরণ ও নিবন্ধনের জন্য জন্মসনদ, পাসপোর্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সনদপত্র দেখাতে হবে।
জেলায় তিন ধাপে রেজিস্ট্রেশনের কাজ সম্পন্ন করা হবে। প্রথম ধাপে কাপাসিয়া ও কালীগঞ্জ উপজেলা, দ্বিতীয় ধাপে কালিয়াকৈর ও শ্রীপুর উপজেলা ও তৃতীয় ধাপে গাজীপুর সদর ও টঙ্গী এলাকা।
২০ আগস্ট থেকে পর্যায়ক্রমে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত নিবন্ধনকেন্দ্রে নিবন্ধন করা হবে বলে সভায় জানানো হয়।
সভায় বক্তারা বিষয়টি অধিক জন গুরুত্বসম্পন্ন এবং স্পর্শকাতর উল্লেখ করে বলেন, এর কাজ নির্ভুল এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সার্বিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য এলাকায় মাইকিং ও ক্যাবল টিভির সাহায্যে ব্যাপক প্রচারণা চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
এছাড়া মসজিদের ইমাম ও খতিব, জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের রিপোটিং এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার জন্য পরামর্শ দেয়া হয়।
