Skip to content

ইসির সংলাপে বিএনপির ১৩ দফা

বাংলাভূমি ডেস্ক ॥
বিএনপি সূত্র মতে, এখনো আমন্ত্রণপত্র না পেলেও ইসির সঙ্গে সংলাপে যোগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। সংলাপে বিএনপি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সংলাপের জন্য এরই মধ্যে প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করেছে দলটি। মহাসচিবের নেতৃত্বে একটি টিম নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে দলীয় প্রস্তাবনা তৈরি করেছে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দল ও সুশীলসমাজের সঙ্গে সংলাপ শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতেও এই সংলাপে যোগ দিয়ে সহায়ক সরকার, ৭ দিন আগে সেনাবাহিনী মোতায়েন, ভোটার অনুপাতে সীমানা পুনর্বিন্যাস, প্রশাসনে নিরপেক্ষ রদবদল ও ভোট গণনা পদ্ধতিতে আধুনিকতা আনয়নসহ ১৩ দফা প্রস্তাবনা তুলে ধরবে বিএনপি। পাশাপাশি প্রতিটি সংলাপই গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করবে দলটি।
বিএনপি সূত্র মতে, এখনো আমন্ত্রণপত্র না পেলেও ইসির সঙ্গে সংলাপে যোগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। সংলাপে বিএনপি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সংলাপের জন্য এরই মধ্যে প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করেছে দলটি। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে একটি টিম নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে দলীয় প্রস্তাবনা তৈরি করেছে। এ টিমে আছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ এমন কয়েকজন সাবেক আমলা ও বুদ্ধিজীবী। প্রস্তাবনা তৈরির ক্ষেত্রে দলটি তৃণমূলের নেতাদেরও মতামত নিয়েছে। বিশেষ করে সীমানা জটিলতার সমাধান কোন পথে হতে পারে সে বিষয়ে চিঠি দিয়ে জেলার নেতাদের পরামর্শ নেয়া হয়েছে।
সংলাপে যোগ দেয়ার বিষয়ে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, এখনো আমন্ত্রণপত্র পায়নি বিএনপি। আমন্ত্রণপত্র পেলে দলীয় ফোরামে আলোচনা করে যোগ দেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। যোগ দিলে আলোচনার বিষয়বস্তু কী হবে বা কী ধরনের প্রস্তাব দেয়া যায় সেসব ব্যাপারে দলের প্রস্তুতি রয়েছে।
জানা গেছে, ইসির সংলাপে বিএনপির প্রস্তাবনার শিরোনাম হচ্ছে- ‘নির্বাচন কমিশনকে অধিকতর শক্তিশালী করার লক্ষ্যে করণীয়’। প্রস্তাবনার ভূমিকায় এবং উপসংহারে সহায়ক সরকারের প্রয়োজনীয়তা ও নির্বাচন কমিশনের স্বাধীন ভূমিকার প্রয়োগের কথা উল্লেখ থাকবে। এরপর নির্বাচন কমিশনকে অধিকতর কার্যকর ও শক্তিশালীকরণ এবং আরপিওসহ অন্যান্য নির্বাচনী বিধিবিধান সময় উপযোগী ও যৌক্তিকীকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার প্রস্তাব ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরা হবে।
জানা গেছে, বিএনপির প্রস্তাবনার সবচেয়ে বেশি প্রধান্য পাবে নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার, নির্বাচনের আগে ও পরে অন্তত ৭ দিন ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে সেনাবাহিনী মোতায়েন, ভোটার অনুপাতে সংসদীয় সীমানা পুনর্বিন্যাস কিংবা এক্ষেত্রে নবম সংসদ নির্বাচনের আগ পর্যন্ত বিদ্যমান পদ্ধতিতে ফিরে যাওয়া, নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিটি স্তরে নিরপেক্ষ কর্মকর্তা নিশ্চিত করা এবং ভোট গণনার পদ্ধতিকে আরও আধুনিক করার বিষয়গুলো। এছাড়া প্রস্তাবনায় নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার ন্যূনপক্ষে এক মাস আগে নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা বা ব্যক্তিকে তালিকাভুক্ত করা, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার সাত দিনের মধ্যে, নির্বাচন কমিশনের তালিকাভুক্ত জাতীয় ও স্থানীয় পর্যবেক্ষক সংস্থার নাম ও পরিচয় এবং তাদের মনোনীত পর্যবেক্ষকদের নাম ও তালিকা প্রকাশ করতে হবে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ন্যূনপক্ষে ৭ দিন পূর্বে আন্তর্জাতিক সংস্থা, বিদেশি পর্যবেক্ষক সংস্থা এবং বিদেশি রাষ্ট্র কর্তৃক নিয়োজিত পর্যবেক্ষকদের নাম ও তালিকা প্রকাশ করতে হবে। সবমিলে ১৩টি মৌলিক বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে দলীয় প্রস্তাবনা চূড়ান্ত করা হয়েছে।
প্রস্তাবনায় থাকছে নতুনভাবে গঠিত নির্বাচন কমিশনকে এর নিজস্ব সচিবালয় ও মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এবং সব পর্যায়ের নির্বাচনী কর্মকর্তা অর্থাৎ রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার, আপিল কর্তৃপক্ষ, প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্মকর্তা, রেজিস্ট্রেশন অফিসার, সহকারী রেজিস্ট্রেশন অফিসার, রিভাইজিং অথরিটি, নির্বাচন কাজে নিয়োজিত বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে হবে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ও মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে রাজনৈতিক দলের প্রতি প্রকাশ্য আনুগত্য পোষণকারী কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করে প্রত্যাহার এবং প্রত্যাহারকৃত কর্মকর্তাদের যে কোনো ধরনের নির্বাচনী দায়িত্ব পালন হতে বিরত রাখতে হবে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ও তাদের মাঠপর্যায়ের যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী বিগত ২০০৮ ও ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন পর্যায়ের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ও অন্যান্য নির্বাচনী বিধিবিধানের ব্যত্যয় ঘটিয়েছে তাদের তালিকা প্রণয়ন করতে হবে এবং তাদের নির্বাচনী কার্যক্রম থেকে বিরত রাখতে হবে। প্রেষণে নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত প্রকাশ্য রাজনৈতিক মতাবলম্বী নির্বাচনী কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করতে হবে। একটি কমিটি গঠন করে বিগত ২০০৮ ও ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন পর্যায়ের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রেষণে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের মধ্য হতে প্রকাশ্য দলীয় আনুগত্য পোষণকারীদের চিহ্নিত করে তালিকা প্রণয়ন করতে হবে। ওই সব চিহ্নিত কর্মকর্তাদের ভবিষ্যতে অন্য যে কোনো নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করা থেকে বিরত রাখতে হবে। সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সময় মাঠপর্যায়ে কর্মরত জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের প্রত্যাহার করে নতুন কর্মকর্তা পদায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। নতুন কর্মকর্তা পদায়নে বিগত ৫ বছর বিভিন্ন পদমর্যাদায় ওই জেলায় চাকরিরত ছিলেন এমন কর্মকর্তাদের একই জেলায় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার পদে পদায়ন করা যাবে না, একইভাবে নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সময় প্রত্যেক উপজেলা এবং থানায় কর্মরত উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার করে নতুন কর্মকর্তা নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। ইতোপূর্বে কোনো সময় যে কোনো পদমর্যাদায় ওই উপজেলা বা থানায় চাকরিরত ছিলেন এমন কোনো কর্মকর্তাদের একই উপজেলায় বা থানায় নিয়োগ প্রদান করা যাবে না, নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণার প্রাক্কালে নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় যেমন স্বরাষ্ট্র, অর্থ, তথ্য, জনপ্রশাসন, স্থানীয় সরকার, শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, পররাষ্ট্র এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ৫ অনুচ্ছেদ অনুসারে নির্বাচন কমিশনের চাহিদা অনুযায়ী কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য থাকতে হবে। সাধারণ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তারিখ থেকে নির্বাচিত নতুন সরকার দায়িত্ব না নেয়া পর্যন্ত এ ব্যবস্থা বলবৎ থাকবে।
প্রস্তাবে আরও থাকছে, ভোটগ্রহণের আগে বিভিন্ন বুথে খালি বাক্স সরবরাহের পর অবশিষ্ট শূন্য ব্যালট বাক্সসমূহ (যদি থাকে) এমন নিরাপদ স্থানে রাখতে হবে যাতে তা প্রার্থী অথবা নির্বাচনী এজেন্ট অথবা পোলিং এজেন্টদের কাছে দৃশমান থাকে। ভোট চলাকালে ব্যালট বাক্স পরিপূর্ণ হয়ে গেলে ব্যালট ভর্তি বাক্স বা বাক্সগুলো সংশ্লিষ্ট বুথেই রাখতে হবে যাতে তা সংশ্লিষ্ট সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার এবং নির্বাচনী এজেন্ট এবং অথবা পোলিং এজেন্টদের নিকট দৃশ্যমান থাকে। ভোট শেষে ব্যালট গণনার জন্য কেবলমাত্র ভোটগ্রহণে ব্যবহূত ব্যালট বাক্সসমূহ খোলা হবে। প্রিসাইডিং অফিসার তার স্বাক্ষরিত ফলাফল শিট ভোট কেন্দ্রে পোলিং এজেন্টকে হস্তান্তর না করে ভোট কেন্দ্র ত্যাগ করবেন না। কেন্দ্রভিত্তিক প্রত্যেক এজেন্টদের তালিকা ও তাদের নমুনা স্বাক্ষর কমিশন নির্বাচনের দিনের পূর্বেই প্রার্থীর কাছ থেকে সংগ্রহ করবে এবং তা গোপন রাখতে হবে। প্রত্যেক কেন্দ্রে ভোট গণনার সময় ওই কেন্দ্রের প্রত্যেক বুথে প্রার্থী কর্তৃক নিযুক্ত পোলিং এজেন্টকে অবশ্যই উপস্থিত রাখতে হবে, ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোট গণনা শুরু করতে হবে। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়া এবং ভোট গণনা শুরুর মধ্যবর্তী সময়ে কোনো বিরতি দেয়া যাবে না।
প্রস্তাবনায় গুরুত্ব পাবে নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনর্বিন্যাসের বিষয়টি। দলটি মনে করছে, ১৯৮৪ সাল থেকে বজায় থাকায় সংসদীয় সীমানা ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে তৎকালীন কমিশন কারও কোনো দাবি না থাকা সত্ত্বেও একক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ল-ভ- করে দিয়েছে। জনসংখ্যার ভিত্তিতে সীমানার ওই পুনর্বিন্যাসের ফলে শতাধিক আসনে জটিলতা তৈরি হয়েছে। বিএনপি এখন ভোটার অনুপাতে সীমানা পুনর্বিন্যাস কিংবা ২০০৮ সালের পূর্বের সিস্টেমে ফিরে যাওয়ার বিষয়টিতে জোর দেবে।
এছাড়া প্রস্তাবে গুরুত্ব পাবে নির্বাচনকালীন সময়ে প্রতিরক্ষা বাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসিয়াল ক্ষমতা প্রদান করে সব নির্বাচনী এলাকায় টহলসহ ভোটকেন্দ্রে ও বিশেষ বিশেষ স্থানে মোতায়েনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। নির্বাচন কমিশন কর্মকর্তাদের ম্যাজিস্ট্রেরিয়াল ক্ষমতা প্রদান করতে হবে, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার অব্যবহিত পর থেকে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত নির্বাচনী আইন, আচরণবিধি ও অন্যান্য নির্বাচনী বিধিবিধান ভঙ্গের অভিযোগপত্র এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যে কোনো বিষয়ে দাখিলকৃত অভিযোগপত্র গ্রহণ ও লিখিত প্রাপ্তি স্বীকার করতে হবে, তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর প্রতিবিধান করতে হবে এবং গৃহীত কার্যক্রম জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে। এছাড়া গণমাধ্যমের নিরপেক্ষ ভূমিকা নিশ্চিত করা, অসমর্থিত সূত্রের ভিত্তিতে ভোটের রেজাল্ট প্রকাশ না করা, পর্যবেক্ষকদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেয়াসহ নানা বিষয় থাকছে বিএনপির প্রস্তাবনায়।
সংলাপ ও বিএনপির প্রস্তবনার বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, নির্বাচনের কমিশনের সঙ্গে সংলাপে বিএনপি অংশ নেবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের বিকল্প নেই। সঙ্গত কারণে সহায়ক সরকারের ফায়সালা বিষয়টি আলোচনায় সবচেয়ে বেশি প্রধান্য পাবে। এছাড়া আরপিওর বিভিন্ন ধারা সংশোধন, আসন পুনর্বিন্যাস, সেনাবাহিনী মোতায়েনসহ বিভিন্ন বিষয়ে সংস্কার প্রস্তাব দেয়া হবে সংলাপে। যায়যায়দিন

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫