Skip to content

দুর্ভিক্ষ ধেয়ে আসছে : রিজভী

স্টাপ রিপোর্টার ॥

জাতিসংঘের বরাত দিয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, এবারের বন্যায় ভয়াবহ খাদ্য সঙ্কটে পড়তে পারে বাংলাদেশ। যমুনা-ব্রহ্মপুত্র এবং এই নদীগুলোর শাখা ও উপনদীগুলোর প্রবল স্রোতে জনশূন্য গ্রামের পর গ্রাম। বন্যার পানিতে ভাসছে ঘরবাড়ী, ভাসছে আসবাবপত্র। বন্যার পানি কোথাও কোথাও কমতে শুরু করলেও বন্যাক্রান্ত মানুষ সব কিছু হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এসব মানুষের এখনই খাদ্যের প্রয়োজন। একটা ভয়ঙ্কর দুর্ভিক্ষ ধেয়ে আসছে। দুই তিন মাসের জন্য পূর্ণাঙ্গ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না।

শুক্রবার দুপুরে নয়াপল্টন দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মোলনে তিনি এসব কথা বলেন।

ডব্লিউএফপির বরাত দিয়ে রিজভী বলেন, বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বহু পরিবার এখনও অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছে। এখনও বাড়ি ফেরার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। এসব মানুষ তীব্র খাদ্যাভাব ও দারিদ্র্যের মুখে পড়ে বড় ধরনের ঝুঁকিতে রয়েছেন। অথচ ভোটারবিহীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে খাদ্যমন্ত্রী, ত্রাণমন্ত্রী প্রতিনিয়ত বলছেন দেশে খাদ্যের কোনো ঘাটতি নেই। দেশের বন্যার্ত এলাকার মানুষ যে দুঃখ কষ্টে আছে তা তারা দেখতে পান না।

রিজভী বলেন, বন্যায় জীবনযাপনে মহাবিপর্যয় নেমে এসেছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলো যেন ধ্বংস্তুপ। উন্নয়নের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটের কারণে দেশের ৯০-ভাগ সড়ক-মহাসড়কের বেহাল দশা।

বিএনপির এই নেতা বলেন, দেশের খাদ্য ঘাটতির কথা যখন আমাদের দেশের গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় তখন আওয়ামী নেতারা বলেন এগুলো মিডিয়ার সৃষ্টি। আমরা আগেও সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলাম দেশের খাদ্য ভাণ্ডারগুলো খালি। এখন জাতিসংঘও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আসলে সারাদেশে বিশেষভাবে দেশের উত্তরাঞ্চলে দুর্ভিক্ষের আঘাত শুরু হয়ে গেছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা তৈমুর আলম খন্দকার, হাবিব উন নবী খান সোহেল, মাসুদ আহমেদ তালুকদার ও সানাউল্লাহ মিয়া।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫