বাংলাভূমি ডেস্ক ॥
দুদক আলাদা প্রতিরোধ ও পর্যবেক্ষক দল গঠন করেও দুর্নীতি-অনিয়ম কমানো যায়নি চিহ্নিত ২৫ সরকারি সেবা প্রতিষ্ঠানে। দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক গঠিত দলগুলোর দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও তৎপরতার অভাবকেই দায়ী করছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
অন্যদিকে, দুদক কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে নতুন কৌশলের কথা ভাবছেন দুদক চেয়ারম্যান।
সরকারি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি রোধে গত জানুয়ারি থেকে পর্যায়েক্রমে মাঠে নামে দুদকের ২৫টি দল। বিআরটিএ, ওয়াসা, পিডিবি, পাসপোর্ট ও ভূমি রেজিস্ট্রি অফিসসহ ২৫ সরকারি সেবা প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি কমিয়ে আনাই ছিলো এদের মূল লক্ষ্য।
আট মাস পেরিয়ে গেলেও তেমন কোনো তৎপরতা নেই দলগুলোর। এমনকি বিআরটিএতে ঘুষ নেয়ার ছবি প্রকাশিত হওয়ার পরও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হয়নি আজও। যদিও দুর্নীতির কারণ, উৎস, প্রতিরোধের উপায় ও দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেয়াই ছিলো লক্ষ্য।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, এক্ষেত্রে প্রধান্য নির্ধারণ করা হয়নি দুদকের। কোন কাজটি তাদের প্রাপ্ত দক্ষতা, অভিজ্ঞতা বা জনবলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, সেই বিষয়গুলো নির্ধারণ না করে, বিশেষ করে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য কোন পদক্ষেপগুলো বেশি উপাদেয়, বেশি প্রয়োজনিয়, সেগুলোকে নির্ধারণ না করে অনেক ক্ষেত্রে দুদক তাদের কার্যক্রম বেশি বিস্তৃত করেছে।
ব্যর্থতা মেনে নিয়ে দুদক চেয়ারম্যান বলছেন, দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধে কিছু কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। দক্ষ প্রাতিষ্ঠানিক দল পুর্নগঠন করে সরকারি সেবাখাতের দুর্নীতি কমিয়ে আনার আশ্বাস দেন তিনি। -তথ্যসূত্র : ইনডিপেনডেন্ট টিভি
