Skip to content

ফ্রান্স থেকে ৩৬ রাফাল যুদ্ধবিমান আসছে ভারতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥
ফ্রান্স থেকে ভারতে আসছে রাফাল যুদ্ধবিমান। আর সেকারণে হরিয়ানার আম্বালা এবং পশ্চিমবঙ্গের হাসিমারা বায়ুসেনা ঘাঁটি পরিকাঠামোর খোলনলচে পাল্টে এবার নতুন সাজে সেজে উঠছে। জোরকদমে চলছে তার প্রস্তুতি। একদিকে চীন সীমান্ত নিয়ে সমস্যা জিইয়ে রেখেছে। অন্যদিকে পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদ কায়েম করার ছক কষে চলেছে। তাই ভবিষ্যৎ যুদ্ধের কথা মাথায় রেখে দেশের দুই সীমান্ত লাগোয়া বায়ুসেনা ঘাঁটিতে অত্যাধুনিক মিডিয়াম মাল্টিরোল কমব্যাট এয়ারক্র্যাফট রাফালকে মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত।

বায়ুসেনা সূত্রে জানা গেছে, হাসিমারা ঘাঁটিতে চীন আর অম্বালায় পাক সীমান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সেখানেই নতুন রাফালে মোতায়েন করে যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে চাইছে ভারত। ফ্রান্সের দাসো অ্যাভিয়েশন থেকে প্রথম ধাপে ৩৬টি রাফাল যুদ্ধবিমান কিনছে ভারত। হাসিমারা এবং অম্বালায় ১৮টি করে যুদ্ধবিমান রাখা হবে।

পরমাণু অস্ত্রবহনে সক্ষম রাফালগুলির আসবে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে। তাই অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানের প্রশিক্ষণ এবং রক্ষণাবক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামোর উন্নয়ন চলছে হাসিমারা–অম্বালায়।

দুই বায়ুসেনা ঘাঁটির আধুনিকীকরণের জন্য ২২০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে প্রতিরক্ষামন্ত্রী। বায়ুসেনার এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, প্রত্যেক ঘাঁটিতে ১৪টি করে হ্যাঙ্গার, শেল্টার এবং রক্ষণাবেক্ষণের বিশেষ জায়গা তৈরি করা হচ্ছে। আগামী ৪০–৫০ বছরের কথা মাথায় রেখেই এই পরিকাঠামো বদল করা হচ্ছে। রাফাল চালানোর জন্য ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে বাছাই করেছে বায়ুসেনা। ফ্রান্সে তাঁদের প্রশিক্ষণও চলছে। পাশাপাশি অম্বালা–হাসিমারায় বিশেষ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রও গড়ে তোলা হচ্ছে।

এই অম্বালা ঘাঁটিতে স্বাধীন ভারতে প্রথম কমান্ডার হিসাবে দায়িত্বে ছিলেন সদ্য প্রয়াত বায়ুসেনা মার্শাল আরজন সিং। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ফরাসি সরকারের সঙ্গে ভারতের ৫৯ হাজার কোটি টাকায় ৩৬টি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তি হয়েছিল।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫