বাংলাভূমি ডেস্ক ॥
আদালতের নিষেধাজ্ঞার পর যশোর রোডের গাছ কাটার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে সরকার। মুক্তিযোদ্ধের স্মৃতি বিজোড়িত এই শতবর্ষী গাছগুলো রেখেই সড়ক পুননির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং এই কাজের জন্য ২৭ কোটি টাকা বরাদ্দও দেওয়া হয়েছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে শুরু হবে সংশোধিত এই প্রকল্পের কাজ।
শতবর্ষী গাছগুলো না কাটার জন্য ১৮ জানুয়ারি ৬ মাসের স্থগিতাদেশ দেন হাইকোট। আর এরই প্রেক্ষিতে গাছ না কেটে সংস্করের সিন্ধান্ত নিয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।
যশোরের জেলা প্রশাসক মো. আশরাফ উদ্দিন জানান, যশোর-বেনাপোল মহাসড়কটি সংস্কার জরুরি। সে কারণে ৬ জানুয়ারির সভায় সবাই গাছ কেটে রাস্তা প্রশস্তকরণের পক্ষে মত দেন; কিন্তু এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণের মালিক মন্ত্রণালয়। পরে উচ্চ আদালত এ ব্যাপারে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশ দেওয়ায় সড়ক বিভাগ গাছ না কেটে আপাতত সংস্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মন্ত্রণালয় যেভাবে নির্দেশ দেবে আমরা সেটা বাস্তবায়ন করব।
সংশ্নিষ্ট সূত্র জানায়, বেনাপোলের অন্য পাশে ভারতীয় অংশে গাছ রেখে কীভাবে সড়ক সম্প্রসারণ করা হয়েছে সেই অভিজ্ঞতা মোতাবেক এপাশে সড়ক সম্প্রসারণ করা হবে।
যশোর সড়ক ও জনপথ বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান বলেন, গাছ রেখেই কিভাবে ফোর লেন তৈরি করা যাবে তা জানতে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস পেলে আমরা আগামী এক সপ্তহের মধ্যে কলকাতা ঘুরে ওখানে পরিবেশ দেখে এখানে এসে একটি সিদ্ধান্ত নিবো।
ঐতিহাসিক যশোর রোডের এই গাছগুলো রক্ষা পাওয়ায় সন্তুষ্ট স্থানীয়রা। সরকারের এমন সিদ্ধন্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেনও তারা।
পরিবেশবিদরা বলেন, গাছ রেখে ফোর লেন করা সম্ভব এবং কিভাবে ফোর লেন করা সম্ভব এর রূপরেখা সরকারে সামনে আমরা উপস্থাপন করবো।
সূত্র : চ্যানেল টোয়েন্টিফোর, সমকাল
