বাংলাভূমি ডেস্ক ॥
অপরিকল্পিতভাবে পাহাড় কেটে ঘর তৈরির কারণে আসন্ন বর্ষায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বড় ধরনের ভূমি ধসের আশঙ্কা করছেন কক্সবাজারের বাসিন্দারা। বড় ধরণের মৃত্যুর ঝুঁকির ওপর দাঁড়িয়ে আছে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোও। তাই বর্ষার আগে ভূমিধস ঠেকানোকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন সেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মীরা।
৪ হাজার একর জমিতে বসতি গড়েছে ৭ লাখের মতো রোহিঙ্গা। কোথাউ ঘর বানানো হয়েছে পাহাড়ের ঢালে আবার কোথাউ পাহাড়ের ঠিক নিচের সমতলে। ঘরগুলো তৈরি করা হয়েছে দূর্বল খুটি আর নরম মাটির ওপর। অল্প বৃষ্টিতেই এইসব পাহাড়ী ঢাল থেকে মাটি ধসে ঘর ভেঙ্গে পড়ার ঝুঁকি যেমন আছে তেমনিভাবে নরম মাটিতে ঢেবে গিয়ে প্রাণহানির আশঙ্কাও আছে।
কক্সবাজার সিভিল সোসাইটির সভাপতি আবু মোর্শেদ চৌধুরী খোকা বলেন, কক্সবাজারের পাহাড়গুলোর মাটি নরম। ফলে অল্প বৃষ্টিতেই পাহাড় ধস নামে। বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই পাহাড়গুলো থেকে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া অত্যন্ত জরুরী।
আইএসজি’র মূখপাত্র সুমবুল বিজভী বলেছেন, ঝুঁকিপূর্ণ ঘরগুলোকে চিহ্নিত করে ৫’শ একরের বেশি নতুন জায়গায় রোহিঙ্গাদের সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে ইতোমধ্যেই। এরই মধ্যে দূর্যোগ মোকাবেলায় প্রশিক্ষিত রোহিঙ্গা নিয়ে গঠন করা হয়েছে কমিটি।
এদিকে আগামী এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে বৃষ্টির আবাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
সূত্র : একাত্তর টিভি
