Skip to content

রামোসের শাস্তি চেয়ে ফিফা বরাবর পিটিশন

স্পোর্টস ডেস্ক ॥

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে শনিবার (২৬ মে) রাতে মোহামেদ সালাহকে আঘাত করেন রিয়াল মাদ্রিদের রামোস। কেউ বলছেন এটা খেলারই অংশ আবার কেউ বলছেন এটা ‘অনৈতিক’।

এবার সেই দাবির পক্ষেই একটি অনলাইন পিটিশন চালু করেছেন মোহামেদ সালাহ আব্দেল হাকিম নামের একজন লিভারপুল সমর্থক।

পযধহমব.ড়ৎম ঢ়বঃরঃরড়হ নামের একটি ওয়েবসাইটে এই পিটিশন শুরু করা হয়েছে। ইতোমধ্যে এই পিটিশনে দুই লাখের বেশি মানুষ সমর্থন জানিয়েছেন।

‘চেঞ্জ’ ওয়েবসাইটটি মূলত পৃথিবীজুড়ে বিভিন্ন দাবি আদায়ের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। যে কেউ এখানে তার ন্যায্য দাবি আদায়ের পক্ষে জনমত গঠন করতে পিটিশন চালু করতে পারেন। কত মানুষ তার সঙ্গে আছেন, তিনি সেটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে পারেন।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে ৩-১ গোলে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে হেরে যায় লিভারপুল। ওই ম্যাচে ২৬ তম মিনিটে বল দখলে রাখতে গিয়ে লিভারপুলের প্রধান খেলোয়াড় সালাহর হাতের ভেতর হাত ঢুকিয়ে দেন রামোস। দু’জনই মাটিতে পড়ে যান। সালাহর হাতে তখন মোচড় লাগে। এরপরও কিছুক্ষণ খেলা চালিয়ে গেলেও খেলতে চাওয়ার অদম্য ইচ্ছা বিসর্জন দিয়ে ৩১তম মিনিটে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।

প্রথমে জানা যায়, হাড় ভেঙে যাওয়ায় প্রায় দুই মাস মাঠের বাইরে থাকতে হবে তাকে। তবে সালাহর ভক্তদের জন্য সুখবর দিয়েছে মিশরের ফুটবল ফেডারেশন।

তারা জানিয়েছে, বিশ্বকাপের আগেই খেলার উপযুক্ত হয়ে যাবেন সালাহ। তবে সম্পূর্ণ সুস্থ হতে আরও সময় লাগবে।

পিটিশনে সমর্থনকারীরা ফিফা ও উয়েফার দৃষ্টি আকর্ষণ করে দাবি করছেন, রামোস যেভাবে সালাহকে ট্যাকল করেছেন সেটি ফুটবলের আদর্শের সঙ্গে একদমই বেমানান। নতুন প্রজন্মের কাছে এটি একদমই ভালো উদাহরণ নয়। ম্যাচের ভিডিও বিশ্লেষণ করে ফিফা এবং উয়েফার উচিত রামোসকে শাস্তি দেওয়া। তবে ফিফার ইতিহাস লিভারপুল সমর্থকরা হতাশই করবে। কারণ তাদের ইতিহাসে এভাবে কাউকে শাস্তি দেওয়ার নজির ফিফার নেই। আর এমন পিটিশনের ভিত্তিতে ফিফা কাউকে শাস্তি দিতে বাধ্য নয়।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫