স্পোর্টস ডেস্ক ॥
অলিম্পিক নারী ফুটবলের বাছাইয়ের প্রথম রাউন্ডের দ্বিতীয় ম্যাচে বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। রোববার মিয়ানমারে থুউন্না স্টেডিয়ামে ভারতের কাছে ৭-১ গোলে হেরেছে বাংলাদেশের মেয়েরা।
নারী ফুটবলে এটি ভারতের কাছে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হার বাংলাদেশের। ২০১০ সালে কক্সবাজারে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের গ্রুপ ম্যাচে ভারতের কাছে ৬-০ গোলে হেরেছিল লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েরা।
গ্রুপের প্রথম ম্যাচে মিয়ানমারের কাছে ৫-০ গোলে হারের পর ভারতের বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর কথা বলেছিলেন বাংলাদেশ দলের কোচ ও অধিনায়ক। তাদের ব্যাখ্যা ছিল ভারতের কাছে আগে খেলার অভিজ্ঞতা আছে; কিন্তু ঘুরে দাঁড়ানোর পরিবর্তে শোচনীয়ভাবেই হারতে হলো।
এ দুই দেশের লড়াইয়ে ভারতই ফেভারিট; কিন্তু হারটা এত বড় ব্যবধানে হবে তা কেউ ভাবেনি। দুই ম্যাচে ১২ গোল খাওয়া বাংলাদেশ শেষ ম্যাচ খেলবে নেপালের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার। বড় জয়ে ভারত টিকে রইলো দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠার দৌঁড়ে। দুই ম্যাচ হারায় বাছাইয়ের প্রথম পর্ব থেকেই বিদায় বাংলাদেশের।
২০১০ সালের সাফে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারতের ৬ গোলের ৩ টি করেছিলেন বালা দেবি। ইয়াঙ্গুনে অভিজ্ঞ এ ফরোয়ার্ড করেছেন ৪ গোল। কমলা দেবি করেছেন ২ গোল, অন্যটি সানজু যাদবের। বাংলাদেশের কৃষ্ণা রানী সরকার ৮২ মিনিটে গোল করে হারের ব্যবধান কমিয়েছেন মাত্র।
বয়সভিত্তিক ফুটবল ও জাতীয় দলের পার্থক্যটা অলিম্পিক ফুটবল খেলতে গিয়ে হারে হারে টের পাচ্ছে বাংলাদেশ। বয়সভিত্তিক ফুটবলে যে ভারতকে বলে-কয়ে হারায় বাংলাদেশ সেই ভারতের জাতীয় দলের কাছে রীতিমতো বিধ্বস্ত হতে হলো। গত বছর ডিসেম্বরে ঢাকায় সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতকে গ্রুপ পর্ব ও ফাইনালে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। ১১ মাস পর মূদ্রার অন্য পিঠও দেখলো বাংলাদেশের মেয়েরা।
বাংলাদেশের নারী ফুটবল মানেই কিশোরীদের প্রাধান্য। একমাত্র সাবিনা খাতুন সিনিয়র খেলোয়াড়। কিশোরীদের জাতীয় দলের জার্সি গায়ে নামিয়ে দেয়ার খেসারত এই ৭-১ গোলের হারের লজ্জা।
