বাংলাভূমি ডেস্ক ॥
একাদশ নির্বাচনে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমি তার কাছ থেকে এমনটা আশা করিনি।
মঙ্গলবার সকালে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
নোয়াখালী-৫ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন সাবেক আইনমন্ত্রী ও দলের হেভিওয়েট প্রার্থী মওদুদ আহমদ।এই আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। নির্বাচনে মওদুদ আহমদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি তো মওদুদ আহমেদ সাহেবের সঙ্গে এমনটা আশা করিনি। আমি মনে করেছিলাম তিনি ভোটে থাকবেন, তার এজেন্টরা থাকবেন। এতে ব্যবধানটা অনেক কমে যেত।এত ব্যবধান হয়তো তাকে হারতে হত না।
‘আমার এলাকায় নৌকার যে গণজোয়ার তা ১৯৭০ সালের পর আমি আর দেখিনি। এবার তাদের (বিএনপির) পরাজয়টা ছিল অবধারিত’-যোগ করেন কাদের।
নির্বাচনে বিএনপির ভরাডুবির বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘তারা নির্বাচন করবেন কীভাবে? নির্বাচন করার মতো কোনো প্রস্তুতি তাদের কি ছিল? তারা ভোটের আগেই হাল ছেড়ে দিয়েছেন।’
পরাজয়টা কোন কোন ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক বলে গণ্য হবে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘এমন পরাজয় হয়েছে কেবল তাদের নিজেদের ভুলে। তাহলে নির্বাচনটা করেছে কী প্রয়োজনে? আপনি এজেন্ট দেবেন না কেন? আপনি ব্যানার, পোস্টার…প্রচারে আপনি কেন ছিলেন না? যদি তারা নির্বাচন করবেন আসলে তারা নির্বাচনের নামে নাটক করেছে কেন?সারা বিশ্বকে দেখানোর জন্য এবং নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য-প্রশ্ন কাদেরের।
জাতীয় পার্টি এবারও বিরোধী দল হবে কিনা এমন প্রশ্নে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।
৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন বাতিল করে নতুন করে ভোটগ্রহণের যে দাবি জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট করেছে সেটি প্রত্যাখ্যান করে আওয়ামী লীগ সাধারণ বলেন, ‘এটা কি মামা বাড়ির আবদার?’ এই ধরনের অযৌক্তিক দাবি পূরণ হওয়ার নয়।
সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের যে উন্নয়ন, সমৃদ্ধির যে অগ্রযাত্রা তা অব্যাহত রাখব এবং আমাদের লক্ষ্যাভিমুখী আমরা এগিয়ে যাবো। নব নব বিজয়ে মুখরিত হবো।’
