Skip to content

জনগণের ভোটে এমপি হলে ইজ্জত ঠিকই থাকত: খাদ্যমন্ত্রীকে রিজভী

বাংলাভূমি ডেস্ক ॥
খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারকে উদ্দেশ করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, জনগণের ভোটে এমপি নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রী হলে ইজ্জত ঠিকই থাকত।

তিনি বলেন, গত পরশু দিন খাদ্যমন্ত্রী বলেছেন- ইজ্জত রক্ষার্থে চালের বাজার স্থিতিশীল রাখুন। কিন্তু ব্যবসায়ীরা মন্ত্রীর ইজ্জত রেখেছেন চালের দাম আরও বাড়িয়ে।

মঙ্গলবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

রিজভী বলেন, জনগণের ভোটে এমপি নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রী হলে ইজ্জত ঠিকই থাকত।সিন্ডিকেটের লোকেরা ভোট ডাকাতির নির্বাচনে সহযোগিতা করে এখন ফায়দা নিতেই চালের দাম বৃদ্ধি করেছে। তাদের বিরুদ্ধে এ্যকশন নেয়ার ক্ষমতা খাদ্যমন্ত্রীর আছে কিনা সেটিই বড় প্রশ্ন। কারণ চারদিকে সরকারি দুর্নীতির জয়জয়কার। গরিব মানুষের পকেট কেটে বিপুল অর্থ লুটে নিচ্ছে সিন্ডিকেট। আর এদিকে দেশের জনগণকে দুঃসহ জীবনযাপনে বাধ্য করা হচ্ছে। চালের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে নিম্ন আয়ের মানুষেরা ক্ষুধার্ত থাকছেন। এই চালের মৌসুমেও চালের দরের ঊর্ধ্বগতি সামনের মাসগুলোতে খাদ্য সংকটকে আরও ঘনীভূত করবে।

সরকার চালের বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, গত কয়েক দিনে চালের দাম ফের বেড়েছে কয়েক দফায়। প্রতি কেজি চালের দাম গত এক সপ্তাহে বেড়েছে ৬ থেকে ৮ টাকা। সরকারদলীয় সিন্ডিকেটের লোকেরাই কারসাজি করে এ দাম বৃদ্ধি করেছে।

রিজভী বলেন, ১০ টাকা কেজি দরে চাল খাওয়ানোর কথা বলে একসময় ভোট চাইলেও বর্তমানে মোটা চালের দামও ৫০ টাকার নিচে নয়। অন্যান্য চাল ৭০-৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, ডা. আবদুল কুদ্দুস, বিএনপির প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশারফ হোসেন, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, সহদফতর সম্পাদক বেলাল আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫