Skip to content

‘দয়া করে ধোনিকে একা থাকতে দিন’

স্পোর্টস ডেস্ক ॥
মহেন্দ্র সিং ধোনির সম্মানটা আর আগের পর্যায়ে নেই। যেই ধোনি ভারতকে বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন, তিনিই আগামী বিশ্বকাপে খেলতে পারবেন কি না, তা নিয়ে এখনও রয়ে গেছে সংশয়। ধোনির অফফর্ম আর অধারাবাহিকতা নিয়ে কথার পর কথা বলেই যাচ্ছেন সমালোচকরা।

তবে অ্যাডিলেডে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ বাঁচানোর দ্বিতীয় ওয়ানডেতে আবারও সেই ফিনিশার ধোনিকে দেখা গেছে। বিরাট কোহলি সেঞ্চুরি করে আউট হওয়ার পর দলের জয় পাওয়া নিয়ে যখন শঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তখন দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে ভারতকে উৎসবের উপলক্ষ্য পর্যন্ত নিয়ে গেছেন ধোনি। সমালোচকদের জবাবটা দিয়েছেন ব্যাটেই।

এবার ধোনির হয়ে মুখ খুললেন ভারতের কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান সুনীল গাভাস্কার। ৩৭ বছর বয়সী উইকেটরক্ষক এই ব্যাটসম্যানের সমালোচকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আমার প্রার্থনা, দয়া করে এই ভদ্রলোককে (ধোনি) একা থাকতে দিন। তাহলে সে ভালো করতে থাকবে। সে নিশ্চয়ই তরুণ হচ্ছে না। তাই তরুণ বয়সে তার যে ধারাবাহিকতা ছিল, তা এখন না পাওয়ারই কথা। আপনাদের সেটা বুঝতে হবে। কিছুটা অধারাবাহিকতা মেনে নিতে হবে। তবে সে এখনও দলের জন্য বড় অবদান রাখতে পারে। যে মূল্যটা আপনি গণনা করতে পারবেন না।’

শুধু ব্যাটিংয়ে নয়, উইকেটের পেছনে থেকে ধোনি কিভাবে দলের জন্য অবদান রাখছেন, সেটাও সবাইকে অনুধাবন করতে বললেন গাভাস্কার। তিনি বলেন, ‘সে বোলারকে নির্দিষ্ট একটি ডেলিভারি সম্পর্কে বলতে পারে, বলতে পারে একজন ব্যাটসম্যান কি পরিকল্পনা করছে। ব্যাটসম্যানের ভাবনা সম্পর্কে ভালোই জ্ঞান আছে তার। কি ধরণের শট খেলে ব্যাটসম্যান আউট হতে পারে সেটাও। এভাবেই ধোনি বোলারদের সাহায্য করে।’

অধিনায়ক বিরাট কোহলি হলেও ম্যাচে সময়ে সময়ে ধোনির নেতৃত্ব দরকার পড়ে বলে মনে করছেন গাভাস্কার। তার বিশ্লেষণ, ‘স্কয়ার ফিল্ডার সাজানো কিংবা বোলারের সঙ্গে কোহলির কখনও কখনও কথা বলা সম্ভব হয় না। এই জায়গায় কোহলি ধোনির উপর পূর্ণ আস্থা রাখতে পারে। যে কিনা এই অ্যাডজাস্টমেন্টটা করে নিতে পারে।’

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫