





নুসরাত জহানের সঙ্গে তফাৎ একটাই। সেটা কী? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন, ও দেখতে সুন্দর আর আমি দেখতে সুন্দরী নই।শনিবার হাসনাবাদের প্রচারসভায় বসিরহাট কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী নুসরাতকে সঙ্গে নিয়ে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা






বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই তিনি বলেন, নুসরাত আমাদের ঘরের মেয়ে। আমি হিন্দু, নুসরাত মুসলমান। আমাদের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। ওর যা রক্ত, আমারও তাই রক্ত। ওর দু’টো চোখ, আমারও দু’টো চোখ।ওরও দু’টো পা, আমারও দু’টো পা। ওরও দু’টো হাত,






আমারও দু’টো হাত। ওরও দু’টো কিডনি, আমারও দু’টো কিডনি। ওরও একটা লিভার, আমারও একটা লিভার। একটাই পার্থক্য। ও দেখতে সুন্দর, আমি দেখতে সুন্দরী নই।মমতার মুখে এমন কথা শুনে হেসে ফেলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত জাহান। হাসতে থাকেন শ্রোতারাও। মমতাও হাসেন। হাসতে হাসতেই তিনি বলেন, আরে একটু হাসাতেও তো হয়, তাই না! সব সময় গম্ভীর থাকলে কি হয়?






ভারতের প্রয়াগরাজে নির্বাচনী প্রচারে গিয়েছিলেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। সেখানে কংগ্রেস নেতা রাজীব শুক্লা তাকে জানান, আড়াই বছরের একটি মেয়ে প্রয়াগরাজের কমল নেহরু হাসপাতালে ভর্তি। টিউমার হয়েছে তার। কিন্তু পরিস্থিতি বেশ জটিল।






জীবনের সঙ্গে লড়ছে বাচ্চাটি। চিকিৎসকরা তাকে দিল্লির এইমসে নিয়ে চিকিৎসার পরামর্শ দিচ্ছেন। দ্রুতই তাকে এইমসে নিয়ে যেতে হবে।রাজীব শুক্লা অনুরোধ করেন, যদি প্রিয়াঙ্কা বাচ্চাটিকে দিল্লি পৌঁছাতে সাহায্য করেন, তাহলে খুবই সুবিধা হয়। নাহলে বাচ্চাটির জীবন বাঁচানো মুশকিল হয়ে যাবে।ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, এ কথা শোনার সঙ্গে সঙ্গে প্রিয়াঙ্কা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। নিজেই একটি প্রাইভেট জেট বিমানের ব্যবস্থা করে বাচ্চা এবং তার পরিবারকে পৌঁছে দেন দিল্লির এইমসে। সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়ে যায় তার চিকিৎসা।সোনিয়া তনয়ার এই উদ্যোগে স্বভাবতই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে ছোট্ট শিশুর পরিবার। এমন একজন নেত্রী যে এভাবে তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসবেন, ভাবতেও পারেননি, আবেগভরা কণ্ঠে এমনই প্রতিক্রিয়া মা-বাবার






