ময়মনসিংহ প্রতিনিধি ॥
ময়মনসিংহ ভালুকা বিরুনিয়া মধ্যপাড়া এলাকায় দশম শ্রেনীর ছাত্রী মোছা: স্মৃতি আক্তার (১৫) বখাটেদের দ্বারা ইভটিজিং এর শিকার এবং দু’পক্ষের মারামারি হওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে। স্মৃতি আক্তার বিরুনিয়া এলাকার আবু বকর সিদ্দীক (৩৮) এর কন্যা।
গত ১৭ মে রাতে ছাবির উদ্দীন মাষ্টার উচ্চ বিদ্যালয় পড়–য়া ছাত্রী মোছা: স্মৃতি আক্তার (১৫) টেবিলে পড়তে বসে। তখন পাশের বাড়ীর মো: দুলু মিয়ার ছোট পুত্র এনামুল (১৬) তাকে বিভিন্ন ভাবে ইভটিজিং করে এবং তার ঘরের চালে ও জানালায় ঢিল মেরে ডাকতে থাকে। এসময় স্মৃতি তার মা’কে ডাকলে এনামুল আরও ঢিল মারতে শুরু করে।
এসময় স্মৃতির মা ও বাবা ঘর থেকে রাস্তায় বেরিয়ে এসে এনামুলের বাবা দুলু মিয়ার কাছে অভিযোগ দিলে তাদের পরিবারের সবাই তা অগ্রাহ্য করে ও উল্টা খারাপ ও অকথ্য ভাষায় গাল-মন্দ করে। ঘটনার এক পর্যায়ে উভয় পক্ষে কিলা-কিলি ঘুষাঘুষি শুরু হয়ে যায়। এমন সময় বখাটে এনামুল স্মৃতির বাবার বাম উরুতে দাড়ালো দা দিয়া কুপ মেরে কাটা রক্তাক্ত জখম করে। এনামুলের বড় ভাই স্মৃতির বাবাকে কামড়িয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কাটা রক্তাক্ত জখম করে। এনামুলের পিতা স্মৃতির ছোট ভাই আল-আমিনকে গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে মেরে ফেলার চেষ্ঠা করে। এসময় স্মৃতির মা রিপা আক্তার ছেলেকে বাঁচাতে গেলে এনামুলের পিতা দুলু মিয়া তার জামা কাপড় ধরিয়া টানা হেচড়া করিয়া নারীর শ্লীলতাহানী করে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফোলা জখম করে। এক পর্যায়ে আসামীরা সিদ্দীক এর ঘরে আসিয়া প্রবেশ করে স্বর্ণালংকার সহ নগদ টাকা পয়সা বলপূর্বক চুরি করিয়া নিয়া যায়।
এ সময় তাদের ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন আসলে বখাটেরা সকলেই পালিয়ে যায় এবং পালানোর সময় স্মৃতিকে নানা রকম হুমকি প্রদর্শন করে ও স্কুলে যাবার পথে যেখানেই পাবে তাকে চরিত্র হরণ করে ছারবে এ বলে হুমকি দেয়। এবং থানায় এ বিষয়ে মামলা করলে মেরে লাশ ঘুম করিয়া ফেলবে বলে পালিয়ে যায়। পরে জানা যায় অপর পক্ষেও এক নারী আহত।
আশপাশের লোকজন এসে তাদের উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করে।
এ ঘটনায় ভালুকা থানা অফিসার ইনচার্জ মাইন উদ্দীন জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
