Skip to content

‘কাশ্মীর এখন কবরখানার মতো নীরব’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥
ভারতীয় মানবাধিকার আইনজীবী ভ্রিন্ডা গ্রোভার বলেছেন, কাশ্মীর এখন কবরখানার মতো নীরব। শুক্রবার নিউ ইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত দেড় হাজার শব্দের একটি প্রতিবেদনে তিনি এমন কথা বলেছেন।

খবরের সঙ্গে অধিকৃত উপত্যকাটির বিভিন্ন আলোকিচিত্র ও ভিডিও প্রকাশ করেছে দৈনিকটি। ইকনোমিস্ট সাময়িকীকে বুদ্ধিজীবী প্রতাপ ভানু মেহতা বলেন, রাজ্যটিকে ভারতীয় ভূখণ্ড হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে সেখানকার মুসলমানদের এক বিতৃষ্ণাকর সংশয়ের মধ্যে ফেলে দিয়েছে সরকার।

মেহতা বলেন, সীমাহীন নির্বাহী ক্ষমতার বশীভূত হওয়াই হচ্ছে ইউনিয়নের ভূখণ্ড হিসেবে ভারতীয় আইনের অধীন কাশ্মীরিদের প্রথম অভিজ্ঞতা।

ভূস্বর্গটির সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের জন্যই কাশ্মীরকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে যে দাবি ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি করেন, এক খোলা চিঠিতে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন বিশ্বব্যাংকের সালমান সোজ নামের এক কাশ্মীরি।

মোদিকে তিনি বলেন, আপনি জেনে অবাক হবেন যে জম্মু ও কাশ্মীর হচ্ছে অনেকগুলো রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নের সূচক।

ভারতীয় নেতাদের স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, জম্মু ও কাশ্মীরের দারিদ্র্যের হার হচ্ছে আট দশমিক এক। যেখানে জাতীয় গড় দারিদ্র্য ২১ দশমিক ৯ শতাংশ। ভারতীয় ভূখণ্ড ও রাজ্যগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ উন্নত পাঁচটি অঞ্চলের একটি হচ্ছে কাশ্মীর।

নিউইয়র্ক টাইমসের খবর বলছে, ৫ আগস্টের আগে ও পরে বিজেপি সরকার গত কয়েক দশকের মধ্যে বেসামরিক নেতাদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ধরপাকড় চালিয়েছে। ব্যবসায়ী নেতা, মানবাধিকার কর্মী, নির্বাচিত প্রতিনিধি, শিক্ষক ও ছাত্রসহ দুই হাজার কাশ্মীরিকে গ্রেফতার করেছে ভারত সরকার। আটকদের মধ্যে ১৪ বছর বয়সী কিশোরও রয়েছে।

আটকদের পরিবার কিংবা আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করতে দেয়া হচ্ছে না। তাদের কোথায় নিয়ে রাখা হয়েছে, তাও প্রকাশ করা হয়নি।

এসব লোকজনকে মধ্যরাতে বাড়ি থেকে আটক করে অজ্ঞাত স্থানে রাখা হয়েছে বলে মার্কিন পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতীয় কঠোর জননিরাপত্তা আইনেও এই আটক অবৈধ। কাশ্মীরে যে কোনো সম্ভাব্য সমালোচনা বন্ধে মোদি ভারতীয় আইনি ব্যবস্থা ভেঙে ফেলেছেন। ব্যবসায়ী, রাজনীতিবীদ ও অধ্যাপকদের কেউ প্রতিবাদে সরব হলেই তাকে আটক করা হচ্ছে।

আটক ব্যক্তিদের মধ্যে কী অভিযোগ আনা হয়েছে কিংবা তাদের কতদিন কারাগারে রাখা হবে, তাও প্রকাশ করেনি ভারতীয় সরকার।

কাউকে কাউকে ভারতীয় বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টারে করে গোপনে লাখনৌ, বারণসী ও আগ্রার কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবরে বলা হয়েছে।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫