বাংলাভূমি ডেস্ক ॥
দেশের দারিদ্র্যসীমা অর্ধেকে নেমে গেছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এটি আরও কমিয়ে আনতে কাজ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। তিনি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন পূরণে আমরা অনেক দূর এগিয়ে গেছি।
মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরে আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলে রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। ‘বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকা’ শীর্ষক এই রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মোমেন বলেন, বঙ্গবন্ধু একটি স্বাধীন রাষ্ট্র জন্ম দিয়েছেন। তিনি সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন দেখেছেন। সেই স্বপ্ন তিনি আমাদের মাঝে গেঁথে দিয়েছেন। বাংলাদেশকে সোনার বাংলা গড়া না পর্যন্ত আমাদের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন পূরণে আমরা অনেক দূর এগিয়ে গেছি।
আবদুল মোমেন বঙ্গবন্ধুর মানবতার বিভিন্ন উদাহরণ উল্লেখ করে বলেন, দেশে দারিদ্র্যসীমা অর্ধেকে নেমে গেছে। বর্তমানে দেশে সাড়ে ১০ লাখ মানুষ দরিদ্র রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সহায়তায় এটি আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে আরও কমিয়ে আনা হবে।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর মতো তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বিশ্বমানবতার উদাহরণ ঘটিয়েছেন। বিশ্ব দরবারে প্রধানমন্ত্রীকে ‘মানবতার মা’ হিসেবে শনাক্ত করা হয়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিশ্বে আজ মানবতার সংজ্ঞা বদলে গেছে। এ কারণে মানুষের মধ্যে হিংসা-বিদ্বেষ, হানাহানি-মারামারি শুরু হয়েছে। সকলের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরিতে শিার্থীদের মানবতার সঠিক সংজ্ঞা শেখাতে শিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
রচনা প্রতিযোগিতায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের বিভিন্ন শিাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় এক হাজার শিার্থী অংশগ্রহণ করেন। বাংলা-ইংরেজি এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। মোট ১২ জনকে বিজয়ী হিসেবে নির্বাচন করা হয়। তাদের মধ্যে প্রথম বিজয়ীকে ৫০ হাজার টাকা, ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট, দ্বিতীয় বিজয়ীকে ৩০ হাজার টাকা, ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট, তৃতীয় বিজয়ীকে ১৫ হাজার টাকা, ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট এবং অন্যদের হাতে সার্টিফিকেট ও ক্রেস্ট তুলে দেয়া হয়।
ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধাপক আবদুল মান্নান চৌধুরীর সভাপত্বিতে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে সাংবাদিক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক-কর্মকর্তা, শিার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
