স্টাফ রিপোর্টার ॥
গাজীপুর: গাজীপুর মহানগরের মধ্যছায়াবীথি এলাকায় প্রতিপক্ষের ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দমকির কারণে অপু চন্দ্রদে তার বসতঘর সংস্কার করতে গিয়ে অসমাপ্ত রাখেন।
জানাযায়, মধ্যছায়াবীথির (টিকাদার পাড়া) বাসা নং ডি-১৩৪ এর মৃত নন্দন চন্দ্রদে এর পুত্র অপু চন্দ্রদে’র পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত ০১.৬৫ শতাংশ জমিতে পৈত্রিক বসতঘরটি পুরানো ও জরাজীর্ণ অবস্থা হওয়ার কারণে সম্প্রতি তা ভেঙ্গে নতুন করে সংস্কার কাজ শুরু করেন।
এতে বাধা হয়ে দাঁড়ান আপন চাচা রতন চন্দ্রদে ও চাচাতো ভাইয়েরা। অপুর পিতারা ছয় ভাই। পূর্বপুরুষের এ ভিটায় বহুপূর্বেই পৃথক সীমানা নির্ধারণ করে নিজেদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা করে নিজ নিজ ঘর তৈরি করে বসবাস করে আসছেন। গত জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ওই ঘরের পুরানো টিনের ঘরটি ভেঙ্গে একই স্থানে নতুন করে পাঁকা বিল্ডিং এর কাজ শুরু করেন অপু চন্দ্রদে। মাটি থেকে ছাদ পর্যন্ত ইটের গাতনির কাজ শেষ করে যখন ছাদ ঢালাই কাজ শুরু করবে, তখনই প্রতিপক্ষরা নির্মাণ কাজে বাঁধা দেন। বর্তমানে অপুর বসতঘরের একটি অংশ অরক্ষিত রয়েছে।
এ বিষয়ে ইতোমধ্যে অপু চন্দ্রদে গাজীপুর মেট্রো সদর থানায় একাধিক জিডিও করেন। স্থানীয় ভাবে একাধিকবার বসেও কোন সুরাহা হচ্ছে না।
বিষয়টি নিয়ে অপুর চাচা রতন চন্দ্রদে বলেন, সিএস ও এসএ রেকর্ড অনুযায়ী ভাতিজা অপু পৈত্রিক সূত্রে ০১.৬৫ শতাংশের মালিক নয় । সে বেশি জমি ভোগদখল করছে। ওখানে আমি জমি পাবো।
অপু চন্দ্রদে বলছেন, সর্বশেষ আরএস রেকর্ড অনুযায়ী পৈত্রিক জমি ৩.৭৭ শতাংশ পাওনা রয়েছে। এর মধ্যে ০১.৬৫ শতাংশ খারিজ করে আমি ভোগদখলে নিয়োজিত আছি। বর্তমানে সংস্কার কাজ বন্ধ থাকায় আমার বসতঘরের একটি অংশ অরক্ষিত রয়েছে। অপরদিকে প্রতিপক্ষরা প্রাণনাশের হুমকি অব্যাহত রাখেন।
