Skip to content

বিশ্ব কাঁপছে করোনায়, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ উ. কোরিয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥
আরও দুটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেছে উত্তর কোরিয়া। দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী জানিয়েছে, সাগরে দুটি প্রজেক্টাইল মিসাইল উৎক্ষেপণ করেছে উত্তর কোরিয়া।

ওই ক্ষেপণাস্ত্র দুটি স্বল্পমাত্রার ব্যালিস্টিক মিসাইল বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। স্থানীয় সময় শনিবার সকালে পিয়ংইয়ং প্রদেশ থেকে পূর্ব সাগরের দিকে ওই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। এটি জাপান সাগর নামেও পরিচিত।

কয়েক মাসের বিরতি দিয়ে চলতি মাসের শুরু থেকেই নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ শুরু করেছে উত্তর কোরিয়া। এর আগেও কয়েক দফা ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়। পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বন্ধ করতে আবারও উত্তর কোরিয়াকে আলোচনায় ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন।

শনিবার দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ বলেছেন, উত্তর কোরিয়া আরও ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালায় কি-না তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, উত্তর কোরিয়ার এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের সময় একেবারেই উপযুক্ত নয়। কারণ তারা এমন এক সময় ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল যখন পুরো বিশ্ব করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে হিমসিম খাচ্ছে।

বিশ্বের ১৮৫টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। এখন পর্যন্ত ২ লাখ ৭৫ হাজার ৯৩২ জন এই প্রাণঘাতী ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে এবং মারা গেছে ১১ হাজার ৩৯৮ জন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই ভাইরাসের প্রকোপ মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। যতই দিন যাচ্ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছেই।

বিভিন্ন দেশের দোকান-পাট, ব্যবসায়-বাণিজ্য সবকিছু বন্ধ হয়ে গেছে। বিশ্বের নানা প্রান্তের বিভিন্ন শহর অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। বিশ্বের এমন একটি সংকটময় পরিস্থিতিতেও উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা একেবারেই বেমানান।

জাপানের উপকূলরক্ষী বাহিনীও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তারা জানিয়েছে, ইকোনোমিক জোনের বাইরে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫