বাংলাভূমি ডেস্ক ॥
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির ও আল-জামিআতুল দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসার মহাপরিচালক আল্লামা শাহ আহমদ শফীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে।তিনি এখনও হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ)চিকিৎসা নিচ্ছেন।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম হুমায়ুন কবির জানান, আহমদ শফীর অবস্থার অনেক উন্নতি হয়েছে।তিনি সবার সঙ্গে কথা বলছেন।তবে তিনি এখনও আইসিইউতেই আছেন।করোনার ঝুঁকি এড়াতে তাকে কেবিনে নেয়া হচ্ছে না।
জানা গেছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে করোনা রোগীরও চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।অনেক রোগী সেখানে ভর্তি।তাই ১০৩ বছর বয়স্ক আল্লামা শফির অবস্থার উন্নতি হলেও তাকে আইসিইউতে রেখেই চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
আহমদ শফী দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত দুর্বলতার পাশাপাশি ডায়াবেটিস,উচ্চ রক্তচাপ ও শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছেন। শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে হেফাজত আমীরকে গত ১ বছরে বেশ কয়েক বার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আল্লামা শফীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে রোববার রাত ৮টার দিকে চমেক হাসপাতালের আইসিইউতে তাকে ভর্তি করা হয়। এরপর সোমবার দুপুরে হেফাজত আমিরের শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনার জন্য মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১০৩ বছর বয়সী আল্লামা শফী ৮ ধরনের রোগে ভুগছেন। তার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে ৭ সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করেছে।
আল্লামা শফী দীর্ঘদিন ধরে বার্ধ্যকজনিত নানা রোগে ভুগছেন। দুই সপ্তাহ আগে তিনি ঢাকা থেকে চিকিৎসা নিয়ে মাদ্রাসায় ফেরেন। এর পর থেকেই তিনি শয্যাশায়ী ছিলেন।
গত ২৬ এপ্রিল ঢাকার আজগর আলী হাসপাতালে ১০ দিন চিকিৎসা শেষে চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদ্রাসায় ফিরে যান হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী।
