স্টাফ রিপোর্টার ॥
টঙ্গী-গাজীপুর সড়ক নিয়ে উদ্বেগে প্রকাশ করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, এ মহাসড়কে বিআরটির প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। দরকারে গাজীপুরের মেয়র, পুলিশ কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বিশেষ নজর দিতে হবে। এবার বিশেষ ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। এমন পরিস্থিতি আমাদের জাতীয় জীবনে আগে কখনো আসেনি। তাই নিজ নিজ কর্মস্থলে উপস্থিত থেকে আপনারা দায়িত্ব পালন করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
আজ বুধবার সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে সড়ক মহাসড়ক বিভাগের কর্মকর্তাদের এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, নবীনগর, বাইপাইল, ইপিজেড, গাজীপুর, চন্দ্রা, কালিয়াকৈর, ভুলতা, কাঁচপুর এলাকায় অসংখ্য গার্মেন্টস রয়েছে। এসব গার্মেন্টস যেদিন ছুটি দেবে সেদিন ঘরমুখো মানুষের প্রচণ্ড চাপ তৈরি হবে। সঠিকভাবে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে ম্যানেজ করতে আগেই আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও বিজিএমইএর সাথে সমন্বয় করতে হবে। প্রয়োজনে বিআরটিসির বাস এসকল পয়েন্টে আগে থেকে স্ট্যান্ডবাই রাখুন।
এছাড়াও জনস্বার্থে ঈদের আগের সাত দিন ও পরের সাত দিন ফ্লাইওভার-আন্ডারপাসসহ চলমান কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, ১ আগস্ট উদযাপিত হতে যাচ্ছে ঈদুল আজহা। এবার ঈদ উদযাপন করতে যাচ্ছি কঠিন এক বাস্তবতায় আমরা। একদিকে বৈশ্বিক মহামারি করোনার সংক্রমণের ঝুঁকি। অন্যদিকে ক্রমশ ছড়িয়ে পড়া বন্যা। সরকার নানা দিক বিবেচনায় নিয়ে জনস্বার্থে গণপরিবহন চলাচল অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাই করোনার পাশাপাশি শ্রাবণের অবিরাম বৃষ্টি সড়ক-মহাসড়ক ব্যবস্থাপনা, সুরক্ষা এবং তাৎক্ষণিক মেরামতে অতীতের মতো সড়ক ও জনপথ বিভাগকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। জনগণের ঈদযাত্রা করতে হবে নির্বিঘ্ন।’
