Skip to content

২০ বছর ধরে নিয়মিত রেকুনদের খাওয়াচ্ছেন তিনি

অনলাইন ডেস্ক ॥
কানাডার নোভা স্কশিয়া প্রভিন্সের সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা জেমস ব্ল্যাকউড নিজেকে ‘রেকুন হুইস্পারার’ নামে পরিচয় দিতেই ভালোবাসেন। কারণ, গত ২০ বছর ধরে প্রতিরাতে অন্তত ২৫টি রেকুনকে তিনি খাবার দিয়ে আসছেন।

সম্প্রতি ইন্টারনেটে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ২০-২৫টি রেকুনকে আঙুরফল আর হটডগ খাওয়াচ্ছেন এক বৃদ্ধ। গত দুই সপ্তাহে ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউবে ভিডিওটি দেখা হয়েছে এক কোটি বারেরও বেশি। এতে রাতারাতি খ্যাতি পেয়েছেন ব্ল্যাকউড। অবশ্য আগে থেকেই তাকে চিনতেন বিশ্বের অনেক পশুপ্রেমী। তার ফলোয়ার সংখ্যা ছিল ২ লাখ। আর এখন তো তাকে চেনে পুরো বিশ্ব।

ঘটনার শুরু ১৯৯৯ সালে। ব্ল্যাকউডের স্ত্রী (পরে মারা গেছেন) বাড়ির কাছে গাড়ি দুর্ঘটনায় আহত একটি রেকুনকে ঘরে নিয়ে আসেন। তার শুশ্রুষায় রেকুনটি সুস্থ হয়ে ওঠে। এরপর সেটিকে আবার বনে ছেড়ে দেয়া হয়। এরপর একটি শাবক আর কয়েকটি সঙ্গী রেকুনকে নিয়ে মাঝে মাঝে ব্ল্যাকউড দম্পতির বাড়িতে খাবার খেত আসত সেই রেকুনটি। এরপর ধীরে ধীরে সংখ্যা বাড়তে থাকে। প্রতিদিন সন্ধ্যায়ই রেকুনের দল তাদের বাড়ির বাইরে খাবারের জন্য জড়ো হয়।

২০০৩ সালে মারা যান জেমস ব্ল্যাকউডের স্ত্রী। বাড়িতে থাকা বিড়াল ও বুনো বন্ধুদের (রেকুন) খেয়াল রাখবেন বলে মৃত্যুর আগে স্ত্রীকে কথা দিয়েছিলেন জেমস। সেই কথা তিনি রেখেছেন। প্রতি সন্ধ্যায়ই রেকুনদের খাওয়ান তিনি। আর নিজের ইউটিউব চ্যানেলে এই ঘটনার ভিডিও পোস্ট করেন।

ব্ল্যাকউড জানান, তার বাড়ির পাশের জঙ্গলে রেকুনদের বসবাস। প্রতিদিনই নির্দিষ্ট সময়ে তারা খাওয়ার জন্য তার বাড়িতে হাজির হয়। রেকুনের দল তার জন্য এতটাই উদগ্রীব হয়ে দরজার সামনে অপেক্ষা করে যে, মাঝে মাঝে তাদের ভীড়ে দরজা খোলাই মুশকিল হয়ে পড়ে।

ভিডিও দেখে অনেক পশুপ্রেমী সংগঠনই জেমস ব্ল্যাকউডকে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে। কিন্তু তিনি সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে বলেছেন, তারা যেন নিজ এলাকার বন্যপ্রাণীদের খাবার দেন।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫