চট্টগ্রাম থেকে এম.আলী হোসেন:
ভোরের শহর নিরব ও কোলাহলহীন ।সাথে ভীতি ও আতংকেরও।ঘুমোট পরিবেশ ও উদ্ধিগ্ন মেজাজ যেন নিরব ও কোলাহলের বিপরীতে অন্য এক আমেজ বিরাজ করে শহর জুড়ে। অতি ভোরে কয়েকদিন একই সময়ে চট্টগ্রাম শহর ঘুরে দেখা গেছে এসব অন্যরকম দৃশ্য।ভোরের আজানের আধা ঘন্টা আগে ডর -ভয়, ভীতি ও আতংকে কাটে রাত জাগা নিদ্রাহীন এই নগরবাসীর।এদের জন্য কারও কোন চিন্তা আছে এমন হদিসও মেলেনি। সরকারী বেসরকারী সংস্থাও এসব বিষয়ে কখনো কোন উদ্দোগ নিয়েছে কিনা তথ্য কারো জানা নেই।
আমাদের অনুসন্ধানে দেখা গেছে , চট্টগ্রামে বেশ কয়েকটি স্থানে নিরব নিস্তদ্ধ আবহ বিরাজ করে । মনে হয় জনজীবন থমকে গেছে। আবার সিনেমা প্যালেস, সল্টগোলা, অলংকার মোড় ও জিইসি এলাকায় একেবারে নিরব হয় না। চলার পথের লোকজন ও ভবঘুর মানুষজন থাকেই। আতংক ও ভীতি থাকে নতুন ফিশারী ঘাট ও পুরানো ফিশারী ঘাটের অলিগলিও। এসব পথে মাছ বিক্রেতাদের আগা গুনা থাকে। পেশাদার ছিনতাইকারী সশস্ত্র কিংবা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে উৎ পেতে থাকে, থাকে দুস্কৃতকারীরাও। টার্গেট থাকে খুচরা ব্যবসায়ীদের। চলিত বছরে ২২টি ছিনতাইয়ের খবর মিললেও অসংখ্য সংগঠিত ঘটনা এখনো প্রকাশও হয়নি।
নগরজুড়ে ভয় ভীতি ও আতংকে লেগেই আছে অতি ভোরে । টহল পুলিশও নির্জন টং দোকানের সামনে গাড়ীতে বসে ঘুমাই । ঘুমানো অবস্থায় থাকে বাসা বাড়ীর দারোয়ানেরাও । অন্যদিকে রাতের কারবারী, মাদকসেবী, ছিঁচকে চোর, তেল চোর ও ভবঘুরে মানুষের কাছে গোটা নগর জিম্মি হয়ে থাকে। এ দশা বহুকাল ধরে চলে আসলেও শুধুমাত্র ভোরের নগর নিরাপদ করতে কোন উদ্দোগ নেই । নেই এ নিয়ে হইচইও। নিরবে ও অনেকের অজান্তেই এ ভয়াবহ দশা চলছে।কবে নাগাদ এ দশা থেকে মুক্তি পাবে নগরবাসী তা কেউ জানে না। সিএমপি ও নগর পিতার বিষয়টি নজরে আসা উচিত বলে সচেতন নগরবাসী এমনটাই প্রত্যাশা করে।
