কিশোরগঞ্জ থেকে ছাইদুর রহমান নাঈম:
গত কদিন ধরে অব্যাহত রয়েছে বৃষ্টি। খাল-বিল ও জলাশয় পানিতে পরিপূর্ণ। বর্ষার নতুন পানি পেয়ে মাছের ঝাঁকের বিচরণ শুরু হয়েছে। নানান ধরনের ছোট মাছে ভরপুর ডোবার মধ্যে।
আর তাইতো কিশোরগঞ্জের সবগুলো উপজেলায় জেলে ও শৌখিন মানুষদের পাল্লা দিয়ে চলছে মাছ শিকার। জেলার নিকলী, কটিয়াদী, বাজিতপুর, পাকুন্দিয়া, হোসেনপুর,তাড়াইল,ভৈরব সহ হাওর অঞ্চলেও শুরু হয়েছে মাছ ধরা৷
খাল-বিল ও জলাশয়গুলোতে গেলে দেখা মিলছে মাছ শিকারিদের এ উৎসব। বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করে মাছ শিকার করা হচ্ছে। ঝাঁকি জাল, টানা জাল, ঠেলা জাল, বেল, পেতে রাখা জাল, চাঁই, বড়শিসহ আরও নাম না জানা অনেক পদ্ধতি ফাঁদ ব্যবহার করে মাছ শিকার করা হচ্ছে৷
বিশেষ করে খাল-বিল এখন পানিতে টইটম্বুর৷ ফলে দেশীয় মাছ মিলছে ধানের জমি ও খাল-বিলের মধ্যে। বড় থেকে ছোট সববয়সী মানুষ এখন দেশীয় মাছ ধরতে নেমেছে৷ গ্রামগুলোতে এখন মাছ ধরার ধুম লেগেছে। বড়দের সাথে সাথে ছোটারাও মনের আনন্দে মাছ শিকারে নেমেছে। কই, পুটি, টাকি, টেংরা, মলা, ঢেলা, চিংড়ি, বাইম সহ অনেক রকমের মাছ ওঠছে জালের মধ্যে।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টির মধ্যে বড়দের সাথে সাথে ছোটরাও মনের আনন্দে মাছ ধরছে৷ নদীতে বিভিন্ন রকমের ফাঁদ ব্যাবহার করে রকমারি দেশীয় মাছ ধরতে দেখা যায়। এসব মাছের চাহিদাও বেশি৷ অধিকাংশ মাছ এলাকাতেই বিক্রি হয়ে যায়৷ বাজারে আনার সাথে সাথে মানুষের চাহিদার শীর্ষে থাকে নতুন পানির মাছ৷
কটিয়াদী উপজেলার পৌর এলাকার আদমপুর গ্রামের মাছ শিকারী আবুল কাশেম, শফিক বলেন, বৃষ্টি হলেই মাছ ধরার জন্য বের হই৷ এসময়ে প্রচুর মাছ পাওয়া যায়৷ সখের বসে নতুন পানির মাছ ধরি৷
জালালপুর ইউনিয়নের চরপুক্ষিয়া এলাকার মাছ শিকারী বাশার মিয়া বলেন, নদীত নতুন পানিতে মাছ ধরা আনন্দের৷ কয়েকদিনের বৃষ্টিতে ১০-১৫ কেজি বিভিন্ন রকমের মাছ ধরছি৷
