Skip to content

মুন্সীগঞ্জের বাংলাবাজার ও শিলই ইউনিয়নে নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শনে স্থানীয় প্রশাসক 

মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার বাংলাবাজার ও শিলই ইউনিয়নের নদীভাঙন পরিস্থিতি পরিদর্শন করেছেন মুন্সীগঞ্জ—৩ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ কামরুজ্জামান এবং মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা নুরমহল আশরাফী।

সোমবার (২০ জুলাই) নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনকালে তাঁদের সঙ্গে ছিলেন জেলা পরিষদ, মুন্সীগঞ্জের প্রশাসক এ. কে. এম. ইরাদত মানুষ, মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা।

পরিদর্শনের সময় তাঁরা নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখেন এবং ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টসমূহ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। ভাঙনের তীব্রতা কমাতে জরুরি পদক্ষেপ হিসেবে বিভিন্ন স্থানে জিও ব্যাগ নিক্ষেপ কার্যক্রম তদারকি করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

এ সময় তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের দুর্ভোগ, নিরাপত্তা, পুনর্বাসন ও প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয়ে খেঁাজখবর নেন। স্থানীয়দের অভিযোগ ও মতামত গুরুত্বের সঙ্গে শুনে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসক বলেন, নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে সরকার সবসময় রয়েছে। মানুষের জানমাল ও বসতভিটা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং ভাঙন মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তর সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পানি উন্নয়ন বোর্ড, স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরসমূহ নদীভাঙন পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ, ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫