বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক॥ মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ঘাটের কাছে পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া পিনাক-৬ লঞ্চটির খোঁজ আট দিনেও মিলেনি। লঞ্চটির শনাক্তকরণ কাজ স্থগিত ঘোষণা করেছে প্র্রশাসন। তবে নিখোঁজ যাত্রীদের অনুসন্ধান অব্যাহত থাকবে।
সোমবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক সাইফুল হাসান বাদল এ কথা জানান।
জেলা প্রশাসক বলেন, মাওয়ায় কান্ডারি-২ এ অবস্থান করা চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চিফ হাইড্রোগ্রাফার মঞ্জুরুল আলম চৌধুরীর সঙ্গে সর্বশেষ আলাপ করে আমরা আশাবাদী হতে পারিনি।
তিনি বলেন, নদীর তীব্র স্রোতের কারণে শনাক্তরণ জাহাজের ক্যামেরা স্ক্যানার সোনারে যে ইমেজ ধরা পড়েছে আসলে সে বিষয়ে আমরা নিশ্চিত হতে পারিনি। আমরা চেষ্টা করেছি, দুর্ভাগ্য লঞ্চটির সঠিক সন্ধান আমরা দিতে পারিনি।
সাইফুল হাসান বলেন, এ অবস্থায় লঞ্চটি শনাক্তকরণ ও উদ্ধার তৎপরতা আমরা স্থগিত ঘোষণা করছি। তবে আমরা লাশের সন্ধানে ভাটি অঞ্চলগুলোতে কোস্টগার্ড ও নৌ-টহল জোরদারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। একটি লাশও যদি পাওয়া যায় অন্তত একটি পরিবারকে সান্ত্বনা তো দেয়া যাবে। তাই পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত লাশের তল্লাশি অব্যাহত থাকার ঘোষণা দেন তিনি।
জেলা প্রশাসক জানান, নৌমন্ত্রীর সঙ্গে তার কথা হয়েছে। তিনি বলেছেন, একটি উদ্ধারকারী যান রুস্তম বা নির্ভীক এখানে স্থায়ীভাবে থাকবে।
স্থানীয়ভাবে লঞ্চটির খোঁজে অনুসন্ধান চলছে‑ একথা উল্লেখ করে ডিসি জানান, স্থানীয় লোকজন বা ডুবুরিরা লঞ্চটি খুঁজে পেলে এখানে অবস্থানকারী উদ্ধারকারী জাহাজ লঞ্চটি উদ্ধারের ব্যবস্থা নেবে, প্রয়োজনে অন্য জাহাজও আনা হবে।
তিনি জানান, ভাটি অঞ্চলের জেলা ও পুলিশ প্রশাসনকে জানানো হয়েছে, কোনো লাশ পাওয়া গেলে তা মাদারীপুরে পাঠাতে।
জেলা প্রশাসক জানান, সবশেষ তথ্য অনুযায়ী মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে ৪৬টি, শনাক্ত করা হয়েছে ২৮টি; আর বাকিগুলো শনাক্ত করা যায়নি।
