Skip to content

শেষ ৪ মিনিটে ৫ আত্মঘাতি গোল!

বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥ফুটবলে আত্মঘাতী গোল হয়ই। কিন্তু এক ম্যাচে কয়টি আত্মঘাতী গোল দেখেছেন আপনি? একটি বা দু’টি, না হয় ধরলাম তিনটিই। কিন্তু এক ম্যাচে পাঁচটি আত্মঘাতী গোল কখনো না দেখেছেন, না শুনেছেন? তাও আবার ম্যাচের শেষ চার মিনিটে! অবাক করার মতো হলেও এমনই আত্মঘাতী গোলের প্রতিযোগিতায় মেতেছিল ইন্দোনেশিয়ার দু’টি দল।
মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে- এই আত্মঘাতী গোল কেন আর কীভাবেই বা হলো? তাহলে এবার জেনে নিন ঘটনাটি। ইন্দোনেশিয়ার প্রথম বিভাগের প্লে-অফের একটি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল পিএসএস স্লেম্যান ও পিএসআইএস সেমারাং। ম্যাচ শেষ হতে তখন বাকি আর মাত্র ৪ মিনিট, স্কোরলাইন তখন গোলশূন্য। কিন্তু এই চার মিনিটেই নিজেদের জালে দুইবার বল জড়িয়ে দিল স্লেম্যান। কম যায়নি বিপক্ষ সেমারাংও। বরং তিনটি আত্মঘাতী গোল করে তারা স্লেম্যানকেও ছাড়িয়ে গেল। আত্মঘাতী গোলের এই উৎসবে যোগ দিয়েছিলেন সেমারাং গোলকিপারও! দলের তিনটি আত্মঘাতী গোলে একটি তার!
দুই দল সবগুলো আত্মঘাতী গোলই করেছে ইচ্ছাকৃতভাবে! এ আবার কেমন কথা? ইচ্ছাকৃতভাবে কখনো কেউ গোল খায় নাকি? এখানেও রয়েছে মূল ঘটনা। প্লে-অফের সেমিফাইনালে এই ম্যাচে জয়ী দলের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ ছিল বোর্নিও এফসি, যাদের কিনা আবার যোগাযোগ রয়েছে স্থানীয় মাফিয়াদের সঙ্গে! ফলে তাদের বিপক্ষে যেন না খেলতে হয় সেজন্যই হারতে চেয়েছিল স্লেম্যান ও সেমারাং। আর তাই ইচ্ছাকৃতভাবে আত্মঘাতী গোলের ‘মাতাল’ উৎসবে যোগ দেন দুই দলের খেলোয়াড়রা।
ইচ্ছাকৃতভাবে হারার জন্য শাস্তিও পেতে হয়েছে স্লেম্যান ও সেমারাংকে। দুই দলকে পুরো টুর্নামেন্টে থেকে বাতিল করেছে ইন্দোনেশিয়া ফুটবল ফেডারেশন।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫