বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥
ঢাকা : আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই দ্বার খুলছে অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৫।
রোববার বিকেল ৩টায় ভাষাশহীদদের স্মরণে আয়োজিত মাসব্যাপী ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা-২০১৫’ ও ‘আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মেলন’ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রাণের উচ্ছ্বাসে বই উৎসবে মেতে ওঠার সব আয়োজন চূড়ান্ত। নতুন বইয়ের অমোঘ ঘ্রাণ আর প্রিয় লেখকদের সান্নিধ্য পেতে উন্মুখ হয়ে আছেন লাখো পাঠক। এখন শুধু উদ্বোধনের আনুষ্ঠানিকতার পালা।
বইমেলা উপলক্ষে সারাদেশ এবং বিদেশ থেকেও ছুটে আসবেন বইপ্রেমীরা। প্রাণোচ্ছল এই মেলাকে কেন্দ্র করে ফেব্রুয়ারিজুড়ে উৎসবে উদ্বেলিত থাকবে রাজধানীর সাংস্কৃতিক অঙ্গন।
এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ গতকাল দেওয়া এক বাণীতে বলেন, বাঙালির জাতিসত্তা ও অস্তিত্বের শিকড় ভাষা আন্দোলনের মধ্যে প্রোথিত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন, আমাদের তরুণ প্রজন্ম গ্রন্থের আলোয় আলোকিত হয়ে সমস্ত অজ্ঞানতা, অন্ধকার ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে।
বাংলাদেশকে সাহিত্য, সংস্কৃতি, জ্ঞান-বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ করে জাতির পিতার সোনার বাংলায় পরিণত করবে। আজ মেলা উদ্বোধনী আয়োজনে প্রধানমন্ত্রী সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত ৭ জনের হাতে পদক তুলে দেবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ‘গেস্ট অব অনার’ থাকছেন না এবারও। তবে সাহিত্য সম্মেলনের প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখবেন জার্মানির সাহিত্যিক হান্স হার্ডার, ফরাসি লেখক ফ্রাঁস ভট্টাচার্য, বেলজিয়ামের ফাদার দ্যতিয়েন এবং ভারতের ভাষাবিদ ড. পবিত্র সরকার। বিশেষ অতিথি থাকবেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। স্বাগত বক্তব্য দেবেন একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখবেন সংস্কৃতি সচিব ড. রণজিৎ কুমার বিশ্বাস। সভাপতিত্ব করবেন বাংলা একাডেমির সভাপতি ইমেরিটাস প্রফেসর আনিসুজ্জামান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০১৪ প্রদান করা হবে।
মেলার পরিধি: গ্রন্থমেলা অনুষ্ঠিত হবে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। ৩৫১টি প্রতিষ্ঠানকে সর্বমোট ৫৬৫টি ইউনিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে দুই অংশে। একাডেমি প্রাঙ্গণে ৯২টি প্রতিষ্ঠানকে ১২৮ ইউনিট এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ২৫৯টি প্রতিষ্ঠান ৪৩৭টি ইউনিট বরাদ্দ পেয়েছে। বাংলা একাডেমিসহ ১১টি প্রতিষ্ঠানকে প্যাভিলিয়ন দেওয়া হয়েছে। একাডেমির অভ্যন্তরীণ অংশে ৩২টি শিশু-কিশোর প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকে ৪২টি ইউনিট, ২৫টি সরকারি প্রতিষ্ঠানকে ৪৪টি ইউনিট, ১৯টি মিডিয়া ও আইটি প্রতিষ্ঠানকে ২০টি ইউনিট এবং ১৭টি অন্যান্য প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকে ২২টি ইউনিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ক্ষুদ্র প্রকাশনা সংস্থা এবং ব্যক্তি উদ্যোগে যারা বই প্রকাশ করেছেন, তাদের বই বিক্রি এবং প্রদর্শনের জন্য জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের স্টলে রাখা যাবে। উন্মুক্ত জায়গাসহ ৭২টি লিটল ম্যাগাজিনকে বর্ধমান হাউসের দক্ষিণ পাশে লিটল ম্যাগাজিন কর্নারে জায়গা করে দেওয়া হয়েছে।
মেলায় বাংলা একাডেমি প্রকাশিত বই ৩০ শতাংশ, ২০০০ সালের পূর্ব পর্যন্ত প্রকাশিত একাডেমির বই ৭০ শতাংশ এবং মেলায় অংশগ্রহণকারী অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ২৫ শতাংশ কমিশনে বিক্রি করবে। একাডেমির প্রাঙ্গণ এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান মিলে বাংলা একাডেমির ৫টি বিক্রয় কেন্দ্র থাকবে। এর একটি সম্পূর্ণ সাজানো হবে একাডেমি প্রকাশিত শিশু-কিশোরতোষ গ্রন্থ দিয়ে।
অমর একুশে গ্রন্থমেলা শুরু হচ্ছে বিকেলে
আপডেট :February 1, 2015
0
সম্পর্কিত আরও সংবাদ
সাম্প্রতিক সংবাদ
আর্কাইব
প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার
প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার
ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।
সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫
