স্পোর্টস ডেস্ক ॥
ঢাকা: বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) তৃতীয় আসরে সিলেট সুপার স্টার্সের হয়ে খেলেছিলেন কাজী নুরুল হাসান সোহান। ওই আসরে ভালো খেলার সুবাদে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৪ সদস্যের দলে জায়গা করে নিয়েছেন ডানহাতি এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান।
চ্যালেঞ্জটা এবার জাতীয় দলের হয়ে ভালো খেলার। মূল একাদশে থাকলে চ্যালেঞ্জটা কত বড় হবে সেটা এখনো বুঝে উঠতে পারছেন তিনি। তবে এসব নিয়ে খুব একটা মাথা ব্যথা নেই ডানহাতি এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যানের। কারণ চ্যালেঞ্জ নিয়ে খেলাটাই উপভোগ করেন তিনি। বুধবার বিসিবির একাডেমী মাঠে অনুশীলন শেষে এমনই জানালেন নুরুল হাসান সোহান।
চূড়ান্ত দলে থাকায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি২০ সিরিজেই বাংলাদেশ দলে অভিষেক হতে পারে ২২ বছর বয়সী এই ডানহাতি ব্যাটসম্যানের। তাই টি২০ চ্যালেঞ্জের প্রসঙ্গে সোহান বলছেন, ‘শুধু টি২০ নয়, যে কোন খেলাতেই চ্যালেঞ্জ থাকে। আর চ্যালেঞ্জ নিয়ে খেলতে আমার খুবই ভালো লাগে।’
ব্যাটিং পজিশন নিয়েও তার কোনো আলাদা করে চাওয়া-পাওয়া নেই। যেখানে সুযোগ মেলে সেইখানেই নিজেকে মেলে ধরতে চান তরুণ এই ব্যাটসম্যান, ‘দলের প্রয়োজনে যেখানে ব্যাটিংয়ের সুযোগ আসবে সেখানে ব্যাটিং করতে আমার কোন সমস্যা নেই। দলের প্রয়োজনে এক রান করে যদি ম্যাচ জেতাতে পারি, সেটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় পাওয়া।’
জিম্বাবুয়ে সিরিজের দলে থাকতে পারেন, সোহানের মনের কোণে এই আশা বাসা বেঁধেছিল টি২০ বিশ্বকাপের প্রাথমিক স্কোয়াডে থাকার পরই। অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজাও ইঙ্গিতটা দিয়ে রেখেছিলেন তাকে। দলে ডাক পাওয়াটা তাই খুব বড় বিস্ময় হয়ে আসেনি তার কাছে।
তবে সত্যি বলতে, জাতীয় দলের আশেপাশে থাকার মত খুব জোরালো পারফরম্যান্স তার ছিল না। ঘরোয়া ক্রিকেটে পারফর্ম করেছেন বরাবরই, তবে জাতীয় দলে ঢোকার দাবি জানানোর মত ধারাবাহিক চোখধাঁধানো পারফরম্যান্স ছিল না কখনোই। যদিও প্রতিভা আর সামর্থের জানানটা দিয়ে রেখেছেন মাঝেমধ্যেই।
জাতীয় দলে ডাক পাওয়াটা আর সবার মতোই রোমাঞ্চিত করছে সোহানকে। তবে অন্য কিছু না ভেবে নিজেকে উন্নত করার দিকেই দৃষ্টি তার, ‘প্রথমবার জাতীয় দলে, খুব ভালো লাগছে। এখন যে লক্ষ্যটা আছে তা হলো ভালো খেলা। এখন খেলার উপর মনোযোগ দিচ্ছি যেন সামনে যে টুর্নামেন্ট আছে ভালো খেলতে পারি।’
দলে থাকলেও এই সিরিজে অভিষেক হবে কি হবে না, তা নিয়ে ভাবতে রাজী নন সোহান। বলছেন, ‘এখন আসলে অভিষেক এতো কিছু নিয়ে চিন্তা করছি না। চিন্তাটা আসলে যদি সুযোগ আসে, তা যেন কাজে লাগাতে পারি। এটা টিম ম্যানেজম্যান্টের ব্যাপার। আমি প্রস্তুত থাকবো যদি সুযোগ আসে, আর তাতে শতভাগ দিতে পারি।’
