Skip to content

বিশ্বব্যাংকের কাছে কৈফিয়ত চাওয়া উচিৎ : টিআইবি

স্টাফ রিপোর্টার ॥
কানাডার আদালতে পদ্মাসেতুতে দুর্নীতি চেষ্টার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বিশ্বব্যাংকের কাছে কৈফিয়ত চাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। অন্যদিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ার আগেই কেন বিশ্বব্যাংক ঋণচুক্তি বাতিল করেছিলো, সে বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের কাছে কৈফিয়ত চাওয়া উচিৎ বলে মনে করছে টিআইবি।

এ প্রসঙ্গে টিআইবি- এর নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘সরকারের উচিৎ বিশ্বব্যাংকের কাছে জবাবদিহিতা চাওয়া। কেননা, বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংকের সদস্য রাষ্ট্র। সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের সেই এখতিয়ার আছে বলে আমি মনে করি। বিশ্বব্যাংককে কোনভাবেই সরকারের ছাড় দেয়া উচিৎ হবে না।’

অন্যদিকে ফেসবুক প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য-প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, যারা বিশ্বব্যাংকের পক্ষ নিয়েছিলো তাদের উচিৎ সরকারের কাছে ক্ষমা চাওয়া। এছাড়া বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সুনাম নষ্ট করতেই সংস্থাটি এ ষড়যন্ত্র করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

পদ্মাসেতু প্রকল্পে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে ২০১৩ সালে ১২০ কোটি ডলারের ঋণ চুক্তি বাতিল করে বিশ্বব্যাংক। দুর্নীতি দমন কমিশন তদন্ত শুরুর পর সরিয়ে দেয়া হয় তৎকালীন যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনকে। সৈয়দ আবুল হোসেনের দাবি, এটি একটি ষড়যন্ত্রমাত্র।

কানাডার আদালতে মামলা খারিজের পর আবুল হোসেন বলেছেন, বিশ্বব্যাংকের অভিযোগ শুধু মিথ্যা নয়, এটি একটি ষড়যন্ত্রও। বিশ্বব্যাংকের সাথে জড়িত একটি স্বার্থন্বেষী মহল তার সততা ও সুনাম নষ্ট করতে চেয়েছে।

অভিযোগকারীদের দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্বব্যাংকের অভিযোগের তালিকায় থাকা প্রধানমন্ত্রীর অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান। তিনি বলেন, ‘এই ষড়যন্ত্রে যারা ইন্ধন যুগিয়েছে তাদের উচিৎ হবে তাদের নিজেস্ব মতামত প্রকাশ করা এবং নিজেদের দোষ স্বীকার করা।’

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫