Skip to content

স্বপ্নে বিভোর পল্লবী

বিনোদন ডেস্ক ॥ বলিউডে ফিল্মি ক্যারিয়ারে ধোপদুরস্ত নায়ক কিংবা নায়িকা হতে চাইলে সবার মাঝেই একটা উন্নাসিকতার দেখা মেলে। দরকার হলে কাজ না করে হাত গুটিয়ে বসে থাকা। কিন্তু কখনোই সিনেমার সাইড রোলে কাজ করা নয়।

কিন্তু হালের কিছু অভিনয় শিল্পীর মধ্যে এ উন্নাসিকতাটা থেকে বেরিয়ে আসার একটা প্রবল প্রতিযোগিতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যে তালিকার সর্বশেষ সংযোজন পল্লবী। পুরো নাম পল্লবী শ্রাদা। বলিউড ফিল্মে ক্যারিয়ারের শুরু একেবারে খুবই কম গুরুত্বপূর্ণ কিছু পার্শ্বচরিত্রে। ‘দশ তোলা’, ‘লাভ ব্রেকআপস জিন্দেগি’, ‘মাই নেম ইজ খান’ কিংবা ‘হিরোইন’। ছবির তালিকা কিংবা নাম যত বড়ই হোক না কেন, সিনেমায় কাজের সুযোগটা সে তুলনায় ছিল নগণ্য।

কিন্তু তাই বলে হাল ছেড়ে দেয়ার পাত্রী ছিলেন না পল্লবী। সেই অধ্যবসায় আর অপেক্ষার গাছ এবার ফল দিতে চলেছে। সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম আলোচিত ছবি ‘বেশরম’-এর পর্দায় খোদ কাপুরতনয় রনবীরের বিপরীতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ মিলল পল্লবীর।

জন্ম অস্ট্রেলিয়ার পার্থে। বড় হওয়া মেলবোর্নের মাটিতে। কিন্তু তারপরও পাক্কা পাঞ্জাবি তরুণীর চরিত্রে অভিনয়। তাও আবার রনবীরের সঙ্গে সঙ্গত রেখে। বেশ চ্যালেঞ্জিং একটা বিষয়। এর সঙ্গে সুর তুলে পল্লবীর ভাষ্য, ‘আমার জন্মের অনেক আগেই আমার বাবা-মা দিল্লি আবাসের পাততাড়ি গুটিয়ে পাড়ি জমিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ায়।

তাই বলে রক্তে ভারতীয় স্বাদটা তো আর মিইয়ে যায়নি। অভিনয় করতেই যখন আমার বলিউডে আসা, সেখানে খালি নিজের বংশগত ঐতিহ্যের ধারাটাকে একটু খালি উসকে দেয়া।’ তবে সে ক্ষেত্রে রনবীরের বিভিন্ন সময় দেয়া টিপস আর উপদেশগুলোকেও অম্লান বদনে স্বীকার করেন পল্লবী।

অডিশনের তালিকায় এত এত নামজাদা সুন্দরীর ভিড়ে পরিচালক অভিনব কশ্যপ কেন অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে পল্লবীকেই নিলেন- এটা নিয়ে অনেককেই দেখা যায় সন্দেহের ভ্রু কুঁচকাতে। কিন্তু সব সন্দেহের পাত্রে পানি ঢেলে পল্লবীর জবাব, “অভিনবের সঙ্গে আমার পরিচয় সেই ২০১১-তে লাভ ব্রেকআপস জিন্দেগি ছবির সেটে।

তখন আমার কাজ দেখে ওর পছন্দ হওয়ায় এরপর থেকে নানা সময় অডিশনের জন্য ডেকেছিল; কিন্তু আমি অস্ট্রেলিয়া-ভারত দৌড়াদৌড়িতে এতদিন বেশ কিছু সুযোগ হাতছাড়া করলেও ‘বেশরম’-এর সুযোগটা হারাইনি। আর এর ফলেই এই প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় চরিত্রে আসা।”

কিন্তু যতটুকু শোনা যাচ্ছে, বেশরম ছবিটা নাকি পুরোপুরিই রনবীরনির্ভর। তাহলে আর ওই ছবির নায়িকা হলে লাভটাই বা কী? চরিত্রের দৈর্ঘ্য নিয়ে মাথা না ঘামানো পল্লবীর সহজ উত্তর, ‘দাবাং ছবিটাও তো ছিল সালমাননির্ভর। তাই বলে কি ওই ছবি দিয়ে সিনেমায় নাম লেখানো সোনাক্ষীর ক্যারিয়ার বরবাদ হয়ে গেছে?

দর্শক যখনই নায়িকার দিকে মুখ ঘুরাবে তখন দেখবে তো আমাকেই। এখন সেটার মাধ্যমে আমি কতটুকু নিজের ক্যারিয়ারের আখের গোছাতে পারব সেটা নিশ্চই আমার অভিনয় বলে দেবে। চরিত্রের গুরুত্ব কম বা বেশি তাতে আমি বিশ্বাসী নই।’ এখন আপাতত সিনেমার মুক্তি প্রতিক্ষায় পল্লবী। যদি খালি লাক বাই চান্স, বন্দুকের ছোড়া গুলি লক্ষ্য ভেদ করে, তাহলে ফিল্মি ক্যারিয়ারে বেশ যুৎসই একটা অবস্থানের স্বপ্নে বিভোর পল্লবী।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫