জেলা প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম ॥ বিরোধী জোটের টানা ৬০ ঘণ্টার হরতালের পরেই রাজপথে নামতে যাচ্ছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশে। আগামী ১ নভেম্বর থেকে হরতালের মতো কঠোর কর্মসূচির ডাক দিয়েছে সংগঠনটি।
রবিবার দুপুরে হাটহাজারীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন সংগঠনের মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরী।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, আগামী ১ নভেম্বর সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিল, ২ নভেম্বর হাটহাজারী পার্বতী উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে মহাসমাবশে, ১৫ নভেম্বরের মধ্যে সব বিভাগীয় শহরে মহাসমাবেশ।
আর চতুর্থটি হলো- কওমি মাদ্রাসার শিক্ষা আইন পাসের উদ্যোগ থেকে সরকার বিরত না হলে এবং হেফাজতের কর্মসূচিতে বাধা দিলে হরতালসহ কঠিন কর্মসূচি ঘোষণা।
কওমি মাদ্রাসাকে সরকারি নিয়ন্ত্রনে নেয়া থেকে বিরত থাকার দাবি জানিয়ে বাবুনগরী বলেন, কওমি মাদ্রাসায় হাত দিলে সরকার ধ্বংস হয়ে যাবে। কওমি মাদ্রাসা সরকারি নিয়ন্ত্রনে নেয়ার আইন করতে গেলে লাখ লাখ লাশ পড়বে।
নির্বাচনে অংশ নেয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব বলেন, নির্বাচনে হেফাজত কোনো দলের ব্যানারে অংশ নেবে না। হেফাজতের কোনো নেতাকর্মী নির্বাচনে অংশ নিলে এটা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার।
তবে তিনি বলেন, মুসলমান হিসেবে যাদের দ্বারা ইসলামের ক্ষতি হবে, তাদের ভোট দেয়া হারাম।
এ সময় বাবুনগরী বলেন, কওমি মাদ্রাসার কোনো সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ নেই।
সংবাদ সম্মেলনে জুনায়েদ বাবুনগরীর পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী।
