স্পোর্টস ডেস্ক ॥ খবরটা পিলে চমকে দেয়ার মতোই বটে। নারীদের পেশাদার ফুটবল লীগ খেলছে ছদ্মবেশী পুরুষও! তাও আবার ইরানের মতো কঠোর ধর্মীয় অনুশাসনের দেশে। যেখানে ফুটবল খেলতে গিয়ে এমনিতেই পর্দাঘটিত ব্যাপারে যথেষ্ঠ বিড়ম্বনা সইতে হয় নারীদের।
ফলে সেই বিড়ম্বনার সঙ্গে আরও যুক্ত হচ্ছে লিঙ্গ পরীক্ষা। এখন থেকে ইরানের পেশাদার নারী ফুটবল লিগে খেলতে নামা খেলোয়াড়দের নিয়মিত লিঙ্গ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। অনেকটা বাধ্য হয়েই ইরানের ফুটবল ফেডারেশনকে এই অবাঞ্ছিত কাজটি করতে হচ্ছে। কারন ইতিমধ্যেই এই লিগ থেকে ৭ নারী ফুটবলারকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যাদেরকে আসলে মোটেও নারীসুলভ মনে হয়নি কর্তৃপক্ষের কাছে।
ইরান ফুটবল ফেডাশনের মেডিক্যাল বিভাগের প্রধান আহমাদ হাশেমিয়ান এই দ্রুত লিঙ্গ সনাক্ততকরন পরীক্ষাটির উদ্ভব করেছেন। নতুন একটি নীতিমালাও তৈরী করেছেন তিনি। এখন থেকে প্রতিটি দলকেই লিগে অংশ নেয়ার আগে খেলোয়াড়দের চুক্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আগে নারী হিসেবে যাচাই করে নেবে। আর চূড়ান্ত অনুমোদন দেবে ফেডারেশন।
আসলে এই নিয়মটি ৩ বছর আগেই প্রণীত হয়। সে সময় একটি দল বিপক্ষের গোলরক্ষককে পুরুষ হিসেবে আখ্যা দিয়ে প্রতিবাদ জানায়। ফলে এই নিয়ম জারী করে ফেডারেশন। কিন্তু পরবর্তীতে অংশগ্রহণকারী দলগুলো সঠিকভাবে তা পালনে ব্যর্থ হয়। এক্ষেত্রে এবার কঠোর হওয়ারই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরানের ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
ফেডারেশন জানায়, ইতিমধ্যেই ৭ ফুটবলার এই লিগ থেকে বহিষ্কৃত হয়েছে। আরও ৪ খেলোয়াড় আছে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়।
