স্টাফ রিপোর্টার ॥ দ্বিতীয় দফা উপজেলা নির্বাচন কেন্দ্র করে জামালপুরের সরিষাবাড়ি ও নোয়াখালীর কবিরহাটে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয়পক্ষের ১৮জন আহত হয়েছেন। সরিষাবড়িতে ভাঙচুর করা হয়েছে ২৫টির বেশি দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান।
শুক্রবার দুপুরে ও সন্ধায় এসব ঘটনা ঘটে।
জামালপুর: সরিষাবাড়ীতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। ভাঙচুর করা হয়েছে ২৫টিরও বেশি দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। আহত হয়েছে দুই পক্ষের অন্তত ১০ জন। শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার সাতপোয়া ইউনিয়নের চররৌহা গ্রামে এ সহিংসতা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ২৫ রাউন্ড রাবার বুলেট ছুড়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।
সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম কামরুল এসহান জানান, সংবাদ পেয়ে পুলিশ ফোর্স পাঠানো হয়। এছাড়া ঘটনাস্থলে র্যাব-বিজিবির সদস্যরা মোতায়েন রয়েছে।
নোয়াখালী: আওয়ামী লীগ ও বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টাধাওয়া সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ৮ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার দুপুর ১২ টার দিকে কবিরহাট-সোনাপুর সড়কের সোন্দলপুর চৌরাস্তা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন, সোহাগ (৩৫), ওয়াসিম (২৭), ইউসুফ (২৮), আবু বক্কর সিদ্দিক (২৭) ও মাহফুজসহ (২৬)। অন্যদের নাম জানা যায়নি। এদের মধ্যে ৫ জনকে নোয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে নির্বাচনী প্রচারণাকালে আওয়ামী লীগ চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থক সোহাগের সঙ্গে স্থানীয় তেতুলতলা বাজারে বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের বির্তক ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে দুপুর ১২টার দিকে কবিরহাট-সোনাপুর সড়কের সোন্দলপুর চৌরাস্তা এলাকায় উভয় পক্ষের লোকজন মুখেমুখি হলে ধাওয়া পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের ৮জন আহত হন। আহতদের মধ্যে গুরুত্বর জখম অবস্থায় ৫ জনকে নোয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং বাকিদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়।
কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুল আলম বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে হাতা-হাতির খবর শুনেছি। তবে ঘটনায় এখনো পর্যন্ত (সন্ধ্যা ৭টা) থানায় কোনো অভিযোগ আসেনি।’
