বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥ উপজেলা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফা ভোট গ্রহণে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) শান্তিপূর্ণ পরিবেশের আশায় গুড়েবালি। ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার দু’ঘণ্টার মধ্যেই কেন্দ্রে জোর-জবরদস্তি চালিয়ে ইসির ‘আশার’ বিপরীতে অশান্তি সৃষ্টি করছে সরকার দলীয় প্রার্থীরা।
বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীদের এজেন্ট বের করে দিয়ে কেন্দ্র দখল, জালভোট প্রদান ও হামলার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে সরকার সমর্থকদের বিরুদ্ধে।
বুধবার নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ বলেছিলেন, ‘এতবড় একটি নির্বাচন, এতে ছোটখাট সহিংসতা হতে পারে। তারপরও আমরা নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছি। আশা করছি আগামীকালের নির্বাচন খুবই শান্তিপূর্ণ হবে। খুব বড় ধরনের ঝামেলা পোহাতে হবে না।’
কিন্তু তার আশা নিরাশায় পরিণত করে দিচ্ছেন সরকার দলীয় প্রার্থীরা।
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কেশবনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের বাইরে হাতবোমা ফাটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে ৪ বিএনপিকর্মী আহত হয়েছেন। মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে একটি কেন্দ্রে সহিংসতার কারণে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। নোয়াখালীর একটি কেন্দ্রে সহিংসতার কারণে ভোটগ্রহণ স্থগিত হয়ে যায়। দুঘণ্টা পর পুনরায় ভোট নেয়া শুরু হয়।
বরিশাল সদরের ৬৬টি কেন্দ্র থেকে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীদের এজেন্ট বের করে দেয়া হয়েছে। এছাড়া সদরের কর্ণকাঠী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার সেলিম আহমদের সামনে সিল দেয়া ব্যালট পাওয়ায় তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহত দেয়া হয়েছে।
ভোলার চরফ্যাশনের নুরাবাদে বিএনপি প্রার্থীর এজেন্ট বের করে দেয়াকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সংঘর্ষে পাঁচজন আহত হয়েছেন। নোয়াখালী সদর উপজেলার আহমদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ককটেলর বিস্ফোরণ, ব্যালট বাক্স ভাঙচুর ও ব্যালট পেপার ছিনতাই করা হয়েছে।
শেরপুরে ঝিনাইগাতীর তিনানীতে ভোটকেন্দ্র দখলের সময় পাঁচটি রামদা জব্দ করেছে পুলিশ।
লালমনিরহাটের পাটগ্রামের ছয়টি কেন্দ্র থেকে জামায়াতের প্রার্থীদের এজেন্ট কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এছাড়া আরো অনেক কেন্দ্রে সহিংসতার খবর পাওয়া গেছে। বাংলামেইল২৪ডটকম
