স্পোর্টস ডেস্ক ॥ ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও সার্জিও রামোসের ধামাকায় চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে নাম লেখালো রিয়াল মাদ্রিদ।
মঙ্গলবার রাতে মিউনিখেন আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় প্রতি আক্রমণ আর গতির ঝড় তোলে রিয়াল মাদ্রিদ। যখন শরীর নির্ভর ডিরেক্ট ফুটবলের কাছে নুয়ে পড়ে পেপ গার্দিওলার তিকিতাকার নবতর রুপের বায়ার্ন মিউনিখ। ৪-০ গোলে উড়ে যায় তারা। স্পেন জায়ান্ট রিয়ালের পক্ষে দুটি করে গোল করেন রোনালদো ও রামোস।
এর আগে ইউরোপের সবচেয়ে কুলীন প্রতিযোগিতাটির সেমিফাইনালের প্রথম পর্বেও ১-০ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল রিয়াল। সান্টিয়াগো বার্নাব্যুর খেলায় বিজয়ী দলের পক্ষে ফরাসি স্ট্রাইকার করিম বেনজেমা জয়সূচক গোলটি করেছিলেন। ফলে দুই লেগ মিলিয়ে ৫-০ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে ১২ বছর পর চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে নাম লেখালো মাদ্রিদিস্তা ক্লাবটি। যখন ২৪ মে লিসবনের ফাইনালে রোনালদোদের মুখোমুখি হবে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ কিংবা চেলসির মধ্যে যে কেউ।
এদিন আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় খেলার শুরু থেকেই জার্মান চ্যাম্পিয়নদের উপর হামলা চালায় স্প্যানিশ জায়ান্টরা। প্রধমার্ধের ১৬ মিনিটে হেডে দুরন্ত গোল করে রিয়ালকে প্রথম এগিয়ে নেন রামোস। কার্লো আনচেলাত্তি বাহিনীর পক্ষে দ্বিতীয় গোলটিও স্প্যানিশ এই সেন্টারব্যাকের। কিকঅফের ২০ মিনিটে ডি মারিয়ার ফ্রি-কিক থেকে জটলায় বল পেয়ে স্কোরলাইন ২-০ করেন তিনি।
এরপর শুরু হয় রোনালদো ধামাকা। খেলার ৩৪ মিনিটে গ্যারেথ বেলের থ্রু ধরে রিয়ালকে তৃতীয়বার আনন্দে ভাসান পর্তুগিজ ইন্টারন্যাশনাল। এই গোলের মাধ্যমেই চ্যাম্পিয়নস লিগের এক আসরে মেসির করা সর্বোচ্চ ১৪টি গোলের রেকর্ড মাড়িয়ে যান সিআরসেভেন। পরে এই সংখ্যাটাকে ১৬-তে নিয়ে যান রোনালদো। শেষ বাঁশি বাজার মিনিটে পোস্টের ২০ গজ দূর থেকে চমৎকার এক ফ্রি-কিক থেকে বায়ার্নের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকেন ফিফা বর্ষসেরা এই খেলোয়াড়। ফলে টানা দুইবার চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতার স্বপ্ন খানখান হলো বায়ার্নের। ইতিহাসের গোরোয় বাধা পড়লো তারা। কারণ পরপর দুই আসরে কখনোই এই টুর্নামেন্টটি জেতা হয়নি কোনো দলের।
