Skip to content

এগিয়ে চলছে রূপালী ব্যাংক

বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥ ব্যাংকিং খাতে বিশৃঙ্খলা থাকলেও রূপালী ব্যাংকে এর লেশমাত্র ছোঁয়া নেই। দীর্ঘদিন পরে হলেও এ প্রতিষ্ঠানটি এগিয়ে চলছে।

ব্যাংকিং খাতের বিশ্লেষকরা বলেছেন, রূপালী ব্যাংক আর পূর্বের অবস্থায় নেই। ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে প্রায় সকল বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে। ব্যাংকের ইমেজ বৃদ্ধি পেয়েছে। কর্মকাণ্ডে গতি ফিরে এসেছে। যেটি আগে ছিল না। ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর কঠোর পরিশ্রমের কারণেই এটি সম্ভব হয়েছে।

রূপালী ব্যাংকের অগ্রযাত্রা নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ সম্প্রতি সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রূপালী ব্যাংকের শাখা স্থানান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেছেন, রূপালী ব্যাংক এগিয়ে চলছে। ব্যাংকের ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে ঋণ আদায়, নতুন শাখা খোলা, ঋণ বিতরণ, দক্ষ ব্যবস্থাপনা তৈরি, লোকবল নিয়োগসহ সামগ্রিক দিকে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. আহমদ আল কবির ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. ফরিদ উদ্দিনের নেতৃত্বেই এটি সম্ভব হয়েছে।

রূপালী ব্যাংকের মূল্যায়ন নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক ম. মাহফুজুর রহমান বলেন, এক সময় নিম্ন মানের ব্যাংকের উদাহরণ হিসেবে রূপালী ব্যাংককে ধরা হত। কারণ রূপালী ব্যাংকের অবস্থা ছিল খুবই খারাপ। কিন্তু বর্তমানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. ফরিদ উদ্দিন অতীতের সকল সমস্যা কাটিয়ে ব্যাংকটিকে টেনে ওপরে তুলছেন। ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে প্রায় সকল বিষয়ে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। এখন এটি সরকারি ও বেসরকারি অন্য ব্যাংকগুলোর সঙ্গে যে কোন বিষয়ে প্রতিযোগিতা করতে পারে। এছাড়া এটি বর্তমানে একটি মডেল ব্যাংকের ভূমিকা পালন করছে। যে কোন ব্যাংক এটিকে উন্নয়নের মডেল হিসেবে বেছে নিতে পারে।

ব্যাংকপাড়ায় ঘুরে একাধিক অভিজ্ঞ ব্যাংকারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সোনালী ব্যাংক থেকে হলমার্ক গ্রুপ প্রায় আড়াই হাজার কোট টাকা লুট করে নিয়েছে। কিশোরগঞ্জে ও আদমদিঘীতে ব্যাংকের ভল্ট থেকে ব্যাপক অর্থ লুট করেছে। এছাড়া বিসমিল্লা গ্রুপ ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে ব্যাংকের টাকা লুট করেছে। জনতা ব্যাংকের দুবাই শাখা থেকে ভুয়া এলসি’র মাধ্যমে প্রায় ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়। এ জন্য ব্যাংকের সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী শফিকুল ইসলামকে দায়ী করেছে ব্যাংক। এছাড়া অগ্রণী, বেসিক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একাধিক অনিয়ম ও দুর্নীতি রয়েছে। যার কারণে অর্থমন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে নোটিশও করেছে। তবে রূপালী ব্যাংকের তেমন কোন নেতিবাচক কার্যক্রম নেই বললেই চলে।

রূপালী ব্যাংকের গত তিন বছরের কর্মকাণ্ড মূল্যায়ন করলে দেখা যাবে, ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে আধুনিকায়ন, রেমিট্যান্স বৃদ্ধি, অনলাইন ব্যাংকিংসহ সামগ্রিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে ব্যাংকটি। ব্যাংকের আমানত বৃদ্ধি পেয়েছে। কমছে শ্রেণীকৃত ঋণের পরিমানও।

পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০১০ সালে রূপালী ব্যাংকের মোট আমানত ছিল ৯ হাজার ১১২.৩৮ কোটি টাকা। ২০১১ সালে আমানতের পরিমাণ ১০ হাজার ৭২৩.৪০ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। এর প্রবৃদ্ধির হার ১৭.৬৮%। ২০১২ সালে ছিল ১৩ হাজার ৬৫৯.৮৮ এবং ২০১৩ সালের আমানত দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৭৯৫ কোটি টাকা।

২০১০ সালে ব্যাংকের ঋণ ও অগ্রীম ছিল মোট ৬ হাজার ৬০৪.৯০ কোটি টাকা। ২০১১ সালে ঋণ ও অগ্রীমের পরিমাণ ৭ হাজার ৬৫২.৪৯ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। এর প্রবৃদ্ধির হার ১৫.৮৬%। ২০১২ সালে ৯ হাজার ৫৪.১৬ কোটি এবং ২০১৩ সালে ১০ হাজার ৭৪২ কোটিতে দাঁড়ায়।

২০১১ সালে ব্যাংকের এসএমই খাতে ২ হাজার ২৮৭ জন গ্রাহকের মধ্যে ২৭৪.৫২ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করা হয়। এর মাধ্যমে ৬ হাজার ৬১০ জনের স্থায়ী এবং ৩ হাজার ১৮ জনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পল্লী এলাকায় দারিদ্র দূরীকরণ ও জাতীয় উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তাকল্পে ৪৪.১০ কোটি টাকার কৃষি ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। ২০১২ সালে ঋণ বিতরণ করা হয় ২৪৫.৯৭ কোটি এবং ২০১৩ সালে বিতরণ করা হয় ২০৫.২৬ কোটি টাকা।

২০১০ সালে ব্যাংকের শ্রেণীবিন্যাসিত ঋণের পরিমাণ ও হার ছিল যথাক্রমে ৭৯০.২৭ কোটি টাকা শতকরা হিসেবে ১১.৯৬ শতাংশ। রিকভারি স্পেশালিস্ট নিয়োগ এবং ঋণ আদায় কার্যক্রম জোরদার ও গতিশীল করার মাধ্যমে ২০১১ সালে শ্রেণীকৃত ঋণ কমে ৩১০.৭৮ কোটি টাকা হয়। তবে ২০১২ সালে এর পরিমান ২ হাজার ২৬২.৭৯ কোটি টাকা হলেও ২০১৩ সালের ডিসেম্বর মাসে শ্রেণীকৃত ঋণ কমে ১০ হাজার ৫৩.৯১ কোটি টাকা হয়।

২০১০ সালের তুলনায় বৈদেশিক রেমিটেন্স ৬.৫০% বৃদ্ধি পেয়ে ২০১১ সালে ২১১৪ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। বৈদেশিক রেমিট্যান্স বৃদ্ধিকল্পে ২০১১ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ৪টি এক্সচেঞ্জ কোম্পানির সঙ্গে উৎধরিহম অৎৎধহমবসবহঃ চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে রূপালী ব্যাংকের এক্সচেঞ্জ কোম্পানি ও করেসপন্ডেন্ট ব্যাংকের সংখ্যা যথাক্রমে ২৬টি ও ১৮২টি। ২০১২ সালে রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৪৭৬ কোটি টাকা। আর ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে এসেছে ২ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা।

২০১০ সালে ব্যাংকের অর্জিত পরিচালন মুনাফার পরিমাণ ছিল ২৪৪.৬৯ কোটি টাকা। ২০১১ সালে পরিচালন মুনাফা ৪৭.১৭% বৃদ্ধি পেয়ে ৩৬০.৩৬ কোটি টাকা হয়েছে। ২০১০ সালে রূপালী ব্যাংক সম্মানিত শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ হিসেবে ১০% বোনাস শেয়ার প্রদানের মাধ্যমে ত-ঈধঃবমড়ৎু থেকে ঈধঃবমড়ৎু তে উন্নীত হয়েছে। ২০১১ সালে ২০% স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হয়েছে। ২০১১ সালের ৩৬০.৩৬ টাকা, ২০১২ সালে ৩৭০.৪৬ এবং ২০১৩ সালে মুনাফার এ ধারা অব্যাহত রয়েছে।

রূপালী ব্যাংকে ১৯৮০ সালের পর নতুন কোনো শাখা খোলা হয়নি বরং একীভূত করার মাধ্যমে শাখার সংখ্যা কমানো হয়েছিল। বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় ২০১১ সালে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ১১টি নতুন শাখা খোলা হয়েছে। এতে ব্যাংকিং সেবার পরিধি বৃদ্ধি পেয়েছে। করপোরেট গ্রাহকদের ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে স্থানীয় কার্যালয়সহ করপোরেট শাখার সংখ্যা ১৩টি থেকে ৫৫টিতে নিয়ে আসা হয়েছে। ২০১২ সালে শাখা খোলা হয়েছে ৩ টি এবং ২০১৩ সালে খোলা হয়েছে ২২ টি। সর্বশেষ ২০১৪ সালের মার্চ পর্যন্ত ৪টি শাখা খোলা হয়েছে। বর্তমানে রূপালী ব্যাংকের মোট ৫৩২টি। দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকিংয়ের আওতায় নিয়ে আসার জন্যই রূপালী ব্যাংকের শাখা খোলার উদ্যোগ।

ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্রার সংগ্রহ বৃদ্ধি এবং প্রবাসীদের জন্য ব্যাংকিং সেবা সহজলভ্য করার উদ্দেশ্যে ২০১১ সালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপালী ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় বুথ চালু করা হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিমানবন্দরে অনুরূপ বুথ চালুর বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

রূপালী মাসিক সঞ্চয় স্কীম (জগঝঝ), রূপালী মাসিক মুনাফা স্কীম (জগচঝ), রূপালী দ্বিগুণ বৃদ্ধি স্কীম (জউইঝ) প্রডাক্ট চালুর মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক ব্যাংকিং ব্যবসা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। যেটি এর আগে ছিল না।

গ্রাহকদের আধুনিক ব্যাংকিং সেবা প্রদানের লক্ষ্যে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের মাধ্যমে ইতোমধ্যে ১৩১টি শাখায় অনলাইন ব্যাংকিং চালু করা হয়েছে। ২০১৪ সালের মধ্যে আরো ১৫১টি শাখায় অনলাইনের আওতায় আনা হবে। দেশের বিভিন্ন স্থানে রূপালী ব্যাংকের ৩৮টি অঞগ ইড়ড়ঃয চালু হয়েছে এবং এ বছরের মধ্যে আরো ৫০টি অঞগ ইড়ড়ঃয চালু করা হবে।

সার্বিক ব্যবস্থাপনায় গতিশীলতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আধুনিক যুগোপযোগী মানসম্পন্ন নতুন ব্যবস্থাপনা কাঠামো বাস্তবায়ন, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং অধিক দক্ষতার সঙ্গে ব্যাংক পরিচালনার স্বার্থে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সম্পন্ন করা হয়েছে। মহাব্যবস্থাপককে প্রধান করে ১০টি বিভাগীয় কার্যালয় গঠন করা হয়।

ব্যাংকের কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য ২০১১ সালে শূন্য পদে ১০১ জন সিনিয়র অফিসার এবং ৭০২ জন অফিসার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। রূপালী ব্যাংক মানব সম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্রসহ বিভিন্ন বিভাগে চুক্তিভিত্তিক অধ্যক্ষ, কনসালট্যান্ট, স্পেশালিস্ট/উপদেষ্টা নিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়া অধিকাংশ অস্থায়ী কর্মচারীকে স্থায়ী করা হয়েছে। ২০১১ সালে বিভিন্ন গ্রেডে মোট ১ হাজার কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। অপপবষবৎধঃবফ চৎড়সড়ঃরড়হ-সহ চবৎভড়ৎসধহপব ইধংবফ চৎড়সড়ঃরড়হ প্রণয়ন করা হচ্ছে। ২০১৩ সালে অফিসার ৫০১ জন নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এছাড়া আরও প্রায় ৫০০ জন সিনিয়র অফিসার নিয়োগ দেয়া হবে। এটি প্রক্রিয়াধীন।

২০১২ সালে কর্মদক্ষতা ও কর্মস্পৃহা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে রূপালী ব্যাংক মানব সম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্র, ইওইগ, ইইঞঅসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৬৯টি বিভিন্ন বিষয়ে ১ হাজার ৫১৩ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। ২০১৩ সালে ৯২টি বিষয়ে ৩ হাজার ৭১ জনকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। এছাড়া সুষ্ঠুভাবে ঈওই রিপোর্ট সম্পাদনের লক্ষ্যে ব্যাংকের ৬শ’ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। প্রধান কার্যালয় থেকে শুরু করে একাধিক শাখার বিভিন্ন বিভাগে ১৯৮ জন ছাত্র-ছাত্রীর ইন্টার্নশীপের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

জঁঢ়ধষর ওহাবংঃসবহঃ খরসরঃবফ (জওখ) নামে একটি সাবসিডিয়ারি কোম্পানি গঠন করে ইতোমধ্যে রূপালী ব্যাংকের মার্চেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু রয়েছে। এর পাশাপাশি রয়েছে রূপালী ব্যাংক সিকিউরিটিজ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী বাজার শৃংখলা বজায় রাখতে জরংশ গধহধমবসবহঃ টহরঃ (জগট) গঠন করে রূপালী ব্যাংক যথাযথ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ব্যাসেল-২ এর তিনটি নির্দেশনা যেমন- ন্যূনতম পুঁজি সংরক্ষণ, সুপারভাইজরি রিভিউ প্রসেস এবং মার্কেট ডিসিপ্লিনে তিনটি কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নজরদারি করা হচ্ছে।

ব্যাংকের নিজস্ব স্থাবর সম্পত্তি যথাযথভাবে কাজে লাগানো ও ব্যবহারযোগ্য করার লক্ষ্যে ঢাকা, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রামে ব্যাংকের নিজস্ব ৫টি বহুতল ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এর মাধ্যমে ব্যাংকের অবকাঠামোগত উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে।

রূপালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. আহমদ আল কবির বলেন, আমি এটিকে একটি ভঙ্গুর ব্যাংক হিসেবে পাই। তবে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতায় ভঙ্গুর দশা থেকে ব্যাংকটিকে একটি শক্ত অবস্থানে নিয়ে আসি।

এ বিষয়ে রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. ফরিদ উদ্দিন বলেন, আমি দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে ব্যাংকের মূল সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে সমাধান করার চেষ্টা করি। প্রথমে ব্যবসা বৃদ্ধির পাশাপাশি লোকবল নিয়োগ, অটোমেশন, কম্পিউটারাইডজ পদ্ধতি চালু, নতুন শাখা খোলা, উন্নত গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করা, শ্রেণীকৃত ঋণ আদায়, ঋণ বিতরণ, নতুন শাখা খোলার পাশাপাশি ব্যাপক সংস্কার করি। এসব কার্যক্রমের ফলে ব্যাংক প্রতিবছরই মুনাফা অর্জন করার পাশাপাশি সামগ্রিক কার্যক্রমে গতি ফিরে আসে। তবে ব্যাংকের অনেক সমস্যাও রয়েছে। যেগুলো সমাধান করা আমার একার পক্ষে সম্ভব নয়। এর জন্য ব্যাংকের সঙ্গে জড়িত সকল স্টক হোল্ডারদের এগিয়ে আসতে হবে। বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫