বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥
নয়া দিল্লি: ৩১ জানুয়ারি ভারতের পররাষ্ট্র সচিব পদ থেকে অকাল-অবসর গ্রহণে বাধ্য করা হয়েছে তাকে? সেটা হয়েছে খোদ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই? পদত্যাগপত্রে সেটা উল্লেখ করতেও ইতস্তত করেননি সুজাতা সিং? এই চিঠি গ্রহণ করতে আপত্তি জানিয়েছে সরকার?
প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে তাকে ফোন করে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর কথাটা চিঠি থেকে বাদ দিলেই ভালো করবেন? কিন্তু সুজাতা জানিয়ে দেন, তা হবে না? কথাটা চিঠিতে থাকবে? এক টিভি চ্যানেলের অনুষ্ঠানে সুজাতা সিং শুক্রবার জানান, ২৮ জানুয়ারি বিকেলে বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ তাকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিদেশসচিব পদে এস জয়শঙ্করকে আনতে চান? সেদিনই সন্ধ্যায় সুজাতা পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দেন? তাতে উল্লেখ করেন ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মতো’ তিনি পদত্যাগ করছেন?
‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মতো’ কথাটাই চিঠি থেকে বাদ দিতে বলা হয়? কিন্তু সুজাতার বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মেনেই আমি পদত্যাগ করেছি? একজন সিভিল সার্ভেন্ট হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মানা আমার কর্তব্য? বিদেশসচিব পদ থেকে মেয়াদ ফুরনোর সাত মাস আগে সুজাতা সিংকে সরিয়ে বিরাট বিতর্ক ডেকে এনেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি? সুজাতা তার ক্ষোভ কিছুমাত্র গোপন করছেন না? এদিন তিনি অভিযোগ করেন, সরকারের ভেতর থেকে কেউ তার নামে নানা গল্প ছড়াচ্ছেন সংবাদ মাধ্যমে? সুজাতা অবশ্য মনে করেন, যা হওয়ার হয়ে গেছে? নতুন করে আর কিছু হওয়ার নেই? নতুন কোনো পদ বা দায়িত্ব নিতে তিনি আগ্রহী নন? বাগান, সেলাইয়ের কাজ– জীবনটা এখন এ-সব নিয়েই কাটাতে চান? -পিটিআই
