Skip to content

প্রবল স্রোতে ব্যাহত ফেরি চলাচল

পাটুরিয়া মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ পদ্মায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে স্রোতের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বড় বড় ঢেউ আর নদীভাঙনের ফলে পাটুরিয়া-দৌলদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

মঙ্গল সকালে পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট। এতে দুই পাড়ে আটকা পড়েছে যাত্রীবাহী বাস, মাইক্রোবাস, ট্রাকসহ সহস্রাধিক যানবাহন।

বৈরী আবহাওয়া বড় বড় ঢেউ ও প্রচণ্ড ঘূর্ণায়মান স্রোতের কারণে পাটুরিয়া-দৌলদিয়া নৌরুট মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ১৮টি ফেরির মধ্যে ১৪টি ফেরি চলাচল করছে। নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় আটকা পড়েছে যানবাহন। এর মধ্যে ৪টি ফেরি সঙ্কট ও হঠাৎ যানবাহনের চাপ বেড়ে যাওয়ায় পাটুরিয়া-দৌলদিয়া ঘাটে যানজট অব্যাহত রয়েছে। এতে ঘাটের দুইপাড়ে পারাপারের অপেক্ষায় বিভিন্ন ধরনের সহস্রাধিক যানবাহন। এতে করে পাটুরিয়া-দৌলদিয়া এবং দৌলদিয়া লঞ্চ ঘাট পর্যন্ত যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। আটকাপড়া যানবাহনে চালকসহ যাত্রীরা চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছে।

বিআইডব্লিউটিসি সূত্রে জানা যায়, পাটুরিয়া-দৌলদিয়া নৌরুটে চলাচলরত প্রায় সব ফেরি অনেক পুরাতন, যে কারণে প্রবল স্রোতের মাঝে চলাচল করলে ঘনঘন যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। বড় চারটি ফেরি মেরামতের জন্য নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ডে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া প্রতি বর্ষা মৌসুমে ঘাট সংস্কার করতে হয়।

এদিকে, পাটুরিয়া ঘাটে যানজটের কারণে পাটুরিয়া-ঢাকা মহাসড়কের উথুলী এলাকায় পণ্যবাহী ট্রাক আটকিয়ে দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফেরি স্বল্পতা এবং হঠাৎ যাবাহনের চাপ বেড়ে যাওয়ায় পাটুরিয়া-দৌলদিয়া ঘাটে নানা ধরনের সহস্রাধিক গাড়ি নদী পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে।

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসির সহকারী ম্যানেজার সালাউদ্দিন বাংলামেইলকে জানান, এমনিতেই এ রুটে যানবাহনের চাপ বেশি থাকে। এরপর নদী ভাঙন এবং প্রবল স্রোতে ফেরি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। নদীতে প্রবল স্রোতের কারণে দ্বিগুণ সময় লাগায় এ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। বাংলামেইল২৪ডটকম

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫