Skip to content

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গতানুগতিক কিন্তু ভুল পদ্ধতি

বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥
ঢাকা: স্বাস্থ্য সচেতন মানুষরা সুস্থ থাকার নানা উপায় জানেন। বই পড়ে বা বোদ্ধাদের কাছ থেকে শুনে বা দেখে অনেক স্বাস্থ্যসম্মত পদ্ধতির চর্চা চলে। কিন্তু এমন কিছু স্বাস্থ্যগত অভ্যাস গড়ে উঠেছে যা বহুল প্রচলিত হলেও আসলে ততটা কার্যকর নয়। জেনে নিন এমনই ৫টি বিষয়ের কথা।

১. সর্দি-জ্বরে না খেয়ে থাকা : এ সময় প্রচুর পরিমাণে পানি খাওয়া উচিত। কারণ দেহে অসুখের বিরুদ্ধে লড়ার সময় প্রচুর পানি ব্যবহার করে। এ সময় বমি বা ডায়রিয়ার কারণে এমনিতেই দেহে পানির অভাব হতে পারে। তাই প্রচুর পানি খেতে হয় সর্দি-জ্বরে। দেহের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি বাড়লেই বিপাক্রিয়ায় অংশ নেওয়া উৎপাদনক্ষম কোষের কার্যকারিতা বেড়ে যায়। এতে দেহ রোগের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আরো বেশি শক্তিশালী হয়ে ওঠে। এ সময় তাপমাত্রা কমাতে আপনি কোনো ওষুধ খাচ্ছেন মানেই উল্টো ক্ষতি করছেন। তাই জ্বর হলে দেহ আরামদায়ক পরিবেশ খোঁজে। এই গরম দেহেও দেখবেন একটি কম্বলের নিচে বেশি আরাম লাগছে। আর দেহকে যুদ্ধের রসদ জোগাতে খেতে হয় পানি।

২. ক্ষতকে ব্যান্ডেজ করবেন, নাকি করবেন না? : দেহে ক্ষত দেখা দিলে আমরা সাধারণত কি করি? একে পানির ধারায় কিছুক্ষণ রাখি এবং হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড দিয়ে মুছে জীবাণুমুক্ত করে ব্যান্ডেজ লাগিয়ে দিই। কিন্তু এর কোনোটাই উপযুক্ত পদ্ধতি নয়। সদ্য ক্ষতের তরলকে মুছে ব্যান্ডেজ করা মানেই প্রদাহ সৃষ্টি হওয়া। একে কিছুদিন ভেজা রাখতে হয়। শুষ্ক রাখলে আরো মারাত্মক সংক্রমণ ঘটতে পারে।

৩. যথেষ্ট পানি পান করেন? : প্রতিদিন ৮ গ্লাস পানি খাওয়া বহুকালের প্রচলিত রীতি। কিন্তু আপনি কতটা ঘাম ঝরানো কাজ করেন তার ওপর নির্ভর করবে কতটুকু পানি খাওয়া উচিত। এ ক্ষেত্রে কতবার মূত্র ত্যাগ করলেন তা হিসাবে রাখে বেশি ভালো। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত তথ্যটি হলো, প্রতিদিন ৫ বার মূত্র ত্যাগ করা মানেই আপনি যথেষ্ট পানি খাচ্ছেন।

৪. দাঁত মাজবেন কতবার? : প্রতিদিন সকালে ও রাতে দাঁত মাজা জরুরি। কিন্তু যতবার খাবেন, ততবার দাঁত মাজার প্রয়োজন নেই। বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রতিবার খাবার পর গার্গেল করতে হবে। দাঁত মাজার সময় আপনার মুখ চারভাগে ভাগ করে নিন। প্রতি অংশে ৩০ সেকেন্ড ধরে ব্রাশ চালিয়ে যান।

৫. ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে… : ব্যাক পেইন বা অন্য যেকোনো ব্যথায় সাধারণত বরফ দেওয়া বা বিশ্রাম নেওয়া বা মালিশ করে থাকি আমরা। গবেষণায় বলা হয়, বরফ দিলে ব্যথা উল্টো বাড়তে পারে। কিন্তু ব্যাক পেইনের ক্ষেত্রে যদি পিঠে গরম তাপ নেন, তবে উপকার পাবেন। এ ছাড়া ব্যথা পেয়ে যদি একটা হাঁটেন, তবুও উপকার মিলবে।
সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫